ডাকসু নির্বাচনে বাধা নেই

৬ জানুয়ারি ২০১৯, ২:৪৫:৩১

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন করতে হাইকোর্টের রায়ের ওপর স্থগিতাদেশ তুলে নিয়েছেন আপিল বিভাগ। রোববার (৬ জানুয়ারি) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মাহবুবে আলম। রিট আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ।

এ আদেশের ফলে ডাকসু নির্বাচন করতে আর কোনো বাধা রইল না বলে জানিয়েছেন রিটকারীদের আইনজীবী মনজিল মোরসেদ।

তিনি জানান, গত বছরের ১৭ জনুয়ারি হাইকোর্ট ৬ মাসের মধ্যে ডাকসু নির্বাচন করতে রায় দেয়। একই সঙ্গে নির্বাচনে নিরপত্তা দিতে আইনজীবীদের নির্দেশ দেওয়া হয়।

পরে ঢাবি কর্তৃপক্ষ আপিল করে হাইকোর্টের রায় স্থগিত চেয়ে আবদেন জানায়। সে পরিপ্রেক্ষিতে গত ১ অক্টোবর আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি হাইকোর্টের রায় স্থগিত করে আদেশ দেন। আজ সেই স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে নিয়েছেন হাইকোর্ট।

২০১২ সালের ১১ মার্চ ডাকসু নির্বাচনের পদক্ষেপ নিতে ৩১ শিক্ষার্থীর পক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, প্রক্টর ও ট্রেজারারকে লিগ্যাল নোটিশ দেন অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ওই নোটিশের কোনো জবাব না দেওয়ায় ওই একই বছর ২৫ শিক্ষার্থীর পক্ষে রিট আবেদন করা হয়। রিটে বিবাদী করা হয়েছিলো শিক্ষা মন্ত্রণালয় সচিব, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, ট্রেজারার, রেজিস্ট্রার ও প্রক্টরকে।

রিট আবেদনে বলা হয়েছিলো, ১৯৯৮ সালের ২৭ মে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক এ কে আজাদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে এক সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, ডাকসু নির্বাচনের পর এর সময়সীমা হবে এক বছর। পরবর্তী তিন মাস নির্বাচন না হলে বিদ্যমান কমিটি কাজ চালিয়ে যেতে পারবে। এ সিদ্ধান্তের পর ডাকসু ভেঙে দেওয়া হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) বিধান অনুযায়ী, প্রতিবছর নির্বাচন হওয়ার কথা। কিন্তু তা হচ্ছে না। প্রায় ২২ বছর আগে ১৯৯০ সালের ৬ জুলাই ডাকসুর সর্বশেষ নির্বাচন হয়। এরপর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ডাকসু নির্বাচনের কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।

কারেন্ট নিউজ বিডি'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। 

পাঠকের মতামত: