দুই ব্রিটিশ রাজবধূর কলহের কারণ ফাঁস

৯ জানুয়ারি ২০১৯, ৫:২০:৫৪

ব্রিটিশ রাজপরিবারের দুই পুত্রবধূ কেট মিডলটন ও মেগান মর্কেলের কলহ-বিবাদ বেড়েই চলেছে। দুই পুত্রবধূর র দুরত্ব কমাতে রানির নেওয়া একাধিক উদ্যোগ কার্যত ব্যর্থ হয়েছে। কেট-মেগানের এই দ্বৈরথে জড়িয়ে পড়েছেন তাদের স্বামী প্রিন্স উইলিয়াম ও প্রিন্স হ্যারি। এর প্রভাব পড়েছে রাজপ্রাসাদের সকললকর্মীর মধ্যে। দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছেন তারা। সম্প্রতি দুই রাজবধূর মধ্যকার কলহ নিয়ে মুখ খুলেছেন তাদের শাশুড়ি প্রিন্সেস ডায়নার প্রিয় বান্ধবী লেডি কলিন ক্যাম্পবেল। কেট মিডলটনের সঙ্গে আগে বিয়ে হয়েছিল প্রিন্স উইলিয়ামের। তার কয়েক বছর পর উইলিয়ামের ভাই হ্যারি বিয়ে করেন মেগান মার্কলেকে। হ্যারি বিয়ে করার পর থেকেই নাকি ব্রিটিশ রাজ পরিবারে পারিবারিক কলহের সূত্রপাত।

ক্যাম্পবেল বলেছেন, বিয়ের পর মানুষের মধ্যে একটা পরিবর্তন আসে।বিয়ের পর দাদা উইলিয়ামের প্রতি হ্যারির আচরণেরও বদল ঘটেছিল। মেগানকে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিয়ে উইলিয়াম প্রশ্ন তোলায় দাদার উপর বিরূপ হয়েছিলেন হ্যারি। এতে তাদের সম্পর্কের অবনতি হয়। তার পর কেট ও মেগানের মধ্যে ঝগড়া দুই ভাইয়ের দূরত্ব আরও বাড়িয়েছে।

মেগান রয়্যাল পরিবারের জন্য কতটা উপযুক্ত সে প্রশ্ন তোলার পর দুই ভাইয়ের মধ্যে সেই দূরত্ব আরও বেড়ে যায় । যার প্রভাবে ভাবী কেটের সঙ্গেও বিরোধ তৈরি হয় হ্যারির। এই মতবিরোধ থেকে তৈরি হওয়া মানসিক দূরত্বই রাজ পরিবারের দুই বধুর ঝগড়ার অন্যতম কারণ।

অবশ্য এর আগে এই বিবাদের কারণ হিসেবে দায়ি করা হয়েছিল কেট মিডলটনের এক পরিচারিকাকে । ওই পরিচারিকার সাথে নাকি খারাপ ব্যবহার করেছিলেন মর্কেল। তাতে ক্ষুব্ধ হন কেট। এক পর্য়ায়ের দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। পরে স্ত্রীর পক্ষে মুখ খোলেন প্রিন্স হ্যারি। অন্যদিকে কেটের পক্ষ নেন স্বামী উইলিয়াম। দুই বধূ থেকে ঝগড়া ছড়িয়ে পড়ে পুরো রাজপরিবারে।

ডি কলিন ক্যাম্পবেল জানালেন, কেট-মেগানের বিবাদের সুত্রপাত হয়েছে এঘটনার অনেক আগে।

কারেন্ট নিউজ বিডি'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। 

পাঠকের মতামত: