প্রচ্ছদ / রাজনীতি / বিস্তারিত

আমাদের বয়স হয়েছে, নবীনদের সামনে বিরাট ভবিষ্যৎ: ফখরুল

১৬ জানুয়ারি ২০১৯, ৮:২০:৫২

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেশের মানুষ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে। এখন রাজনৈতিক দল হিসেবে আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে, কোনোমতেই যেন আমাদের মধ্যে হতাশার জন্ম না হয়, সে ব্যাপারে সজাগ থাকা।

বুধবার (১৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে জাতীয় পার্টি (জাফর)-এর প্রয়াত ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী ড. টি আই এম ফজলে রাব্বি চৌধুরীর স্মরণসভায় এসব কথা বলেন তিনি।

মির্জা ফখরুল বলেন, অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন এটা আওয়ামী লীগ কেন করলো। আমি বলবো, এতে আওয়ামী লীগের একটা বড় ক্ষতি হয়ে গেলো। আওয়ামী লীগ দেশের সবচেয়ে পুরনো রাজনৈতিক দলের একটি। তাদের গণতন্ত্রের গৌরবোজ্জ্বল অতীত রয়েছে। কিন্তু এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জনগণের প্রতিপক্ষ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আজকে আওয়ামী লীগের লোকেরাই বলছে, আমার ভোট আমি দিতে পারলাম না কেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের সব প্রতিষ্ঠানকে তারা ধ্বংস করে দিয়েছে। রাষ্ট্রের জুডিশিয়াল সেক্টর থেকে শুরু করে আনসার পর্যন্ত এবারের নির্বাচনে জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। এই সরকারের ক্ষমতায় যাওয়ার মূল বিষয় হচ্ছে দেশকে একদলীয় শাসনব্যবস্থায় নিয়ে আসা।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমাদের অনেকের বয়স হয়ে গেছে। আমরা ভাবছি, বোধ হয় কিছুই হবে না। অবশ্যই হবে। কারণ, হতাশা শেষ কথা হতে পারে না। আমাদের সামনে নতুন প্রজন্ম আছে। তাদের সামনে বিরাট ভবিষ্যৎ আছে। আরও বেশি করে তারা দেশকে ভালোবাসবে। তারাই এই স্বৈরাচারের হাত থেকে দেশকে মুক্ত করবে।

ফখরুল বলেন, আমরা মনে করি, আরও বৃহত্তর ঐক্য প্রয়োজন। খালেদা জিয়া খুব পরিষ্কার করে বলে গিয়েছিলেন আমাদের এজিএমে, আমি হয়তো কারাগারে চলে যাব। কিন্তু তোমরা ঐক্য গড়ে তুলবে সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলোকে নিয়ে এবং এই স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে গণতন্ত্রকে বিজয়ী করবে।

স্মরণসভায় আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির (জাফর) মহাসচিব ও সাবেক মন্ত্রী মোস্তফা জামাল হায়দার ও লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান প্রমুখ।

কারেন্ট নিউজ বিডি'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। 

পাঠকের মতামত: