প্রচ্ছদ / অর্থনীতি / বিস্তারিত

For Advertisement

750px X 80px

Call : +8801911140321

রিজার্ভ চুরির মামলা চলমান, তাই কিছুই বলা যাবে না: অর্থমন্ত্রী

কারেন্ট নিউজ বিডি   ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৮:৫০:১৯

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরি নিয়ে যেহেতু মামলা চলমান, তাই কিছুই বলা যাবে না। বলা ঠিকও হবে না।

মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাষ্ট্রমালিকানাধীন চার ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের সঙ্গে আলোচনা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

For Advertisement

750px X 80px
Call : +8801911140321

প্রসঙ্গত, রিজার্ভ চুরির তিন বছর পর গত ৩১ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সাউদার্ন ডিস্ট্রিক্ট আদালতে মামলা করে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষে করা মামলায় ফিলিপাইনের পাঁচটি আর্থিক ও ক্যাসিনো প্রতিষ্ঠান, দেশটির ১২ জন, ৩ জন চীনা নাগরিকসহ মোট ২০ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে করা মামলা সেখানে চলবে কি না, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি বলে জানা গেছে।বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে অর্থ চুরি হয় প্রায় সাড়ে তিন বছর আগে, ২০১৬ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি রাতে। সেদিন ৮ কোটি ১০ লাখ ১ হাজার ৬২৩ মার্কিন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৮১০ কোটি টাকা) নিয়ে যায় বিদেশিরা।

অর্থমন্ত্রী বলেন, যেখানেই পরিবর্তন করার দরকার সেখানে পরিবর্তন করবো। যেখানে নতুন করে আইন করা দরকার সেখানে নতুন আইন করবো। এমনকী আমরা যে বোনাস নেই সেই বোনাসের জন্যও নতুন আইন করতে যাচ্ছি।

তিনি বলেন, আমরা কীভাবে বোনাস নেবো, কে কতটা বোনাস নেবে, কীসের ভিত্তিতে বোনাস নেবো- বোনাস নেওয়া তো কিছু ইনডিকেটর্সের উপর নির্ভর করে। সেই ইনডিকেটর্সগুলো আমরা বসিয়ে দিচ্ছি। আমরা এ কাজগুলো করছি। কাজগুলো আগে করার সুযোগ পাইনি।

খেলাপিঋণ থেকে মুক্তি পাওয়া প্রসঙ্গে আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, আমরা আইনি প্রক্রিয়ার কিছু পরিবর্তন নিয়ে আসবো যাতে আমাদের ব্যাংক থেকে কোনো ঋণগ্রহিতা ঋণ নিয়ে পার না পান। ঋণগ্রহিতা কোম্পানির পরিচালক, চেয়ারম্যান সবাই পারসোনাল গ্যারান্টি দেবে। এসব গ্যারান্টিগুলা আইনি প্রক্রিয়ায় শক্তিশালী করা হবে। কেউ যদি ঋণ পরিশোধে ফেল করে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আমরা অ্যাকশন নিতে পারবো। এগুলো করতে পারলে খেলাপিঋণ বাড়বে না। মূলত আইনি প্রক্রিয়ার দুর্বলতার কারণেই খেলাপিঋণ বেড়েছিল। এখন খেলাপিঋণ বাড়ার কোনো সুযোগ নেই।

তিনি বলেন, আগে খেলাপিঋণ হয়েছে। যারা জড়িত তাদের শাস্তির বিধান নিয়ে আসবো। কাস্টমার দায়ী থাকলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, একইভাবে ব্যাংকের কেউ জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিলে বাড়বে না। আইনি পরিবর্তন নিয়ে আসবো। তাহলে কেউ রক্ষা পাবে না। ‍সুতরাং, বলতে পারি খেলাপিঋণ বাড়বে না। অর্থমন্ত্রী বলেন, চারটি রাষ্ট্রায়াত্ত ব্যাংক থেকে আমরা কার্যক্রম নিয়েছি। যাতে ব্যাংকের রেভিনিউ বাড়ে। কারণ এই চারটি ব্যাংক অর্থনীতির বিশাল এলাকা কাভার করে। যেখানে ব্যাংকের একাধিক শাখা আছে সেগুলো স্থানান্তর করবো। একজনের কাস্টমার আরেকজন নিতে যাতে না পারে। আমরা ব্যাংকে হেলদি কমপিটিশন দেখতে চাই।

দেশের উন্নয়ন প্রসঙ্গে আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, আমরা দেশের জন্য কাজ করছি। দেশের কল্যাণে সবকিছু বাস্তবায়ন করছি। বাস্তবায়ন না করলে আজ আমরা হংকং, সিঙ্গাপুর, নিউজিল্যান্ডের উপরে কেমন করে গেলাম?

এসময় রাষ্ট্রীয় সোনালী, রূপালী, জনতা ও অগ্রণী ব্যাংকের এমডি ও চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

For Advertisement

750px X 80px

Call : +8801911140321

কারেন্ট নিউজ বিডি'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। 

পাঠকের মতামত: