প্রচ্ছদ / আইন-অপরাধ / বিস্তারিত

For Advertisement

750px X 80px

Call : +8801911140321

স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা না নেওয়ায় লিজার আত্মহত্যা

কারেন্ট নিউজ বিডি   ২৬ অক্টোবর ২০১৯, ১২:৪৫:১৭

রাজশাহীতে শরীরে আগুন দিয়ে কলেজছাত্রী লিজা রহমানের আত্মহননের ঘটনায় পুলিশ ও ভিকটিম সার্পোট সেন্টারের দেয়া তথ্য-উপাত্তে গড়মিল পেয়েছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের গঠিত তদন্ত কমিটি।

তদন্ত কার্যক্রমে অংশ হিসেবে রাজশাহীতে এসে শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) স্থানীয় রেস্টহাউজে সাংবাদিকদের এ তথ্য দিয়েছেন তদন্ত কমিটির প্রধান মানবাধিকার কমিশনের অভিযোগ ও তদন্ত শাখার পরিচালক আল মাহমুদ ফাইজুল কবির।

For Advertisement

750px X 80px
Call : +8801911140321

তিনি জানান, আগামী রোববার কমিশনে প্রতিবেদন জমা দেবে তদন্ত কমিটি। কমিটি পুলিশ ভিকটিম সার্পোট সেন্টার, লিজার পরিবার, স্বামী শাখাওয়াতের পরিবার ও দুইজনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঘিরে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করেছে।

শাহমখদুম থানা পুলিশ ও ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার কর্তৃক তদন্ত কমিশনকে দেয়া তথ্য, ভিডিও ফুটেজ, এজাহার ও সাধারন ডায়েরীর তথ্য এবং স্বাক্ষীর দেয়া তথ্যে গড়মিল রয়েছে জানিয়ে আল মাহমুদ ফাইজুল কবির বলেন, সাধারণ ডায়েরিতে লিজার শ্বশুর-শাশুড়ির নাম থাকলেও ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার তথ্য দিয়েছিলো লিজা তার শ্বশুর-শাশুড়ির নাম জানতেই বাইরে গিয়েছিল এবং বাইরে গিয়ে শরীরে আগুন দেয়ার ঘটনা ঘটে। এখানে তথ্যের গড়মিল রয়েছে।

তদন্ত প্রধান জানান, লিজা রহমান মৃত্যুর আগে তার ভাইকে একটি ভিডিও সাক্ষাৎকার দিয়েছিলো। যেখানে দাবি করা হয়েছে পুলিশ মামলা নিতে নারাজ ছিলো। মামলা না নেয়ায় সে আত্মহত্যা করেছে। এর আগে কলেজছাত্রী লিজা রহমানের আত্মহননের ঘটনায় পুলিশের কোন গাফিলতি খুঁজে পায়নি পুলিশের অভ্যন্তরীণ তদন্ত কমিটি। তবে ঘটনাটি থানায় রেকর্ড না রাখায় শাহমখদুম থানার ওসিকে কৈফিয়ৎ তলবের সুপারিশ করা হয় তদন্ত প্রতিবেদনে।আরএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম এন্ড অপারেশন) সালমা বেগমের নেতৃত্বে গঠিত দুই সদস্যের তদন্ত কমিটি বিষয়টি তদন্ত করেন। তদন্ত শেষে গত ৩ অক্টোবর পুলিশ কমিশনার হুমায়ুন কবিরের কাছে তাদের প্রতিবেদন জমা দেন।

২৮ সেপ্টেম্বর নগরীর শাহ মখদুম থানায় স্বামী সাখাওয়াত হোসেনের বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগ করতে যান রাজশাহী সরকারি মহিলা কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী লিজা রহমান। তবে হঠাৎ থানা থেকে বের হয়ে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন তিনি। গায়ে আগুনের পর আশেপাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। আগুনে লিজার শ্বাসনালীসহ শরীরের প্রায় ৬৪ অংশ পুড়ে যায়। অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে স্থানান্তর করা হয়। ২ অক্টোবর সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান লিজা।

এ ঘটনায় লিজার স্বামী সাখাওয়াত হোসেনসহ তিনজনকে আসামি করে লিজার বাবা আলম মিয়া বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগ এনে নগরীর শাহ মখদুম থানায় দায়ের করা মামলায় লিজার স্বামী সাখাওয়াত হোসেন ছাড়া শ্বশুর মাহবুবুল হক খোকন ও শ্বাশুড়ী নাজনীন আক্তারকে আসামি করা হয়। পরে পুলিশ তাদের সবাই গ্রেফতার করে।

For Advertisement

750px X 80px

Call : +8801911140321

কারেন্ট নিউজ বিডি'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। 

পাঠকের মতামত: