প্রচ্ছদ / বরিশাল / বিস্তারিত

For Advertisement

750px X 80px

Call : +8801911140321

এশিয়ার সবচেয়ে বড় কালি প্রতিমা মঠবাড়িয়ায়

কারেন্ট নিউজ বিডি   ১ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১০:৩০:৪৮

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার উত্তর মিঠাখালী গ্রামের নির্মল চাঁদ ঠাকুেরর বাড়িতে ৯০ ফুট (৬০হাত ) উচ্চতার বড়দা কালি প্রতিমার পূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

বুধবার (২৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় পূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। সরস্বতী পূজার আগের দিন রাত থেকে ৫ দিন ব্যাপী এ বড়দা কালী পূজার উৎসব ঘিরে দেশের দুর দুরান্ত হতে লক্ষাধিক মানুষের পদচারণা ঘটে।

For Advertisement

750px X 80px
Call : +8801911140321

বুধবার রাত থেকে শুরু হওয়া এ বিশালাকৃতির কালি প্রতিমার পূজা অনুষ্ঠান রোববার (২ ফেব্রুয়ারি) শেষ হবে।

উপজেলা সদর ইউনিয়নের উত্তর মঠবাড়িয়া গ্রামের নির্মল চাঁদ সাধু ঠাকুর বাড়ির শ্রী শ্রী হরি মন্দির প্রাঙ্গনে এ বিশালাকৃতির কালি প্রতিমার ৫ দিন ব্যাপী পূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

এ পূজা অনুষ্ঠান আগামী এক সপ্তাহ জুড়ে এখানে উৎসবের আমেজ চলবে। প্রতিবছরের ন্যায় এবারও এ বিশালকৃতির প্রতিমা দর্শণে দেশের দূরদুরান্ত হতে হাজার হাজার হিন্দু ধর্মালম্বী ভক্তবৃন্দসহ অন্যান্য ধর্মের অনুসারী মানুষও এ উৎসব স্থলে সমবেত হচ্ছেন।

মন্দিরের সেবায়েত শ্রী সন্তোষ মিস্ত্রী জানান, গত ৩০ বছর ধরে স্বরস্বতী পূজার একদিন আগে এ ঐতিহ্যবাহী কালি পূজা শুরু হয়ে টানা ৫ দিন উৎসব চলে। ১৯৯০ সালে তিন ফুট উচ্চতার কালি প্রতিমা দিয়ে এ মন্দির প্রাঙ্গনে পূজা শুর হয়। প্রতিবছর প্রতিমার উচ্চতা বাড়তে বাড়তে এবার ৯০ ফুটের প্রতিমা নির্মিত হয়। এছাড়া ৯৫ ফুট লম্বা মহাদেব প্রতিমাও নির্মাণ করা হয়েছে। এ বড়দা কালি পূজা উৎসব ঘিরে উৎসবস্থলে মেলাও অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

কালি পূজার আয়োজক হরি চাঁদ ঠাকুর মন্দিরের ধামকর্তা শ্রী নির্মল চন্দ্র চাঁদ ঠাকুর জানান, ৩০ বছর ধরে এ পূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। একবার গায়ে জলবসন্ত রোগে মহামারী দেখা দেয়। এসময় গায়ের মানুষ এ রোগে চরম বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। বেশ কিছু মানুষের প্রাণহানীও ঘটে। হরি মন্দিরের সেবায়েত স্বপ্নে কালি পূজা দেওয়ার জন্য নির্দেশনা পান। এরপর কালি পূজার আয়োজন করা হয়। এ পূজার প্রসাদ খেয়ে সেদিন জলবসন্তের মহামারি থেকে গ্রামবাসি আরোগ্য লাভ করেন। এরপর থেকে প্রতিবছর গায়ের মানুষের সকল বালা মুছিবত রোগ শোক দুর করতে এ কালি পূজার আয়োজন চলে আসছে।

তিনি আরও জানান,এ পূজায় ভক্তবৃন্দরা সহযোগিতা করে ৫ দিনের উৎসব পালন করে। প্রতিবছর প্রতিমা আকারে বড় করা হয়। এবার ৯০ ফুট উচ্চতার কালি প্রতিমা তৈরি করা হয়েছে। যা গত বছর ছিল ৮৪ ফুট। পূজায় সংকটাপন্ন মানুষের নানা মানত দিয়েই এ আয়োজন চলছে। সপ্তাহ ধরে এখানে অব্যহতভাবে কবিগান, মন্ত্রপাঠ ও শ্যামা সঙ্গীত অনুষ্ঠানসহ প্রসাদ বিতরণ করা হয়।

প্রতিমার প্রধান কারিগর বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জ উপজেলার ভাস্কর নিত্যানন্দ হালদার জানান, গত ১৭ বছর ধরে প্রতিবছর এখানে এ কালি প্রতিমা নির্মাণ করে আসছেন। এবছর তিনি ৯০ ফুট উচ্চতার প্রতিমা নির্মাণ করেছেন।

তিনি বলেন, এশিয়ার মধ্যে এত বড় উচ্চতার কালি প্রতীমার পূজার আয়োজন করা হয় কিনা আমাদের জানা নেই। এ প্রতিমা নির্মাণে বাঁশ, নলের কি, মাটি,কাঠের গুড়ি ও খড় ব্যবহার করা হয়েছে।

মঠবাড়িয় সদর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান এবিএম ফারুক হাসান বলেন, এতবড় কালি প্রতীমা এশিয়ার কোন দেশে আর কোথাও আছে কিনা আমার জানা নেই। আমার মনে হয় এটাই এশিয়ার সবচেয়ে বড় কালি প্রতীমা।

For Advertisement

750px X 80px

Call : +8801911140321

কারেন্ট নিউজ বিডি'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। 

পাঠকের মতামত: