প্রচ্ছদ / রাজনীতি / বিস্তারিত

For Advertisement

750px X 80px Call : +8801911140321

সরকারের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটছে আদালতে: ফখরুল

কারেন্ট নিউজ বিডি   ১৫ মার্চ ২০১৮, ৩:৪৪:১০

ঢাকা, ১৪ মার্চকারেন্ট নিউজ বিডিবিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন হওয়ার পর তা অাপিল বিভাগে স্থগিত হওয়ায় আশাহত হয়েছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তার দাবি, সরকারি ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটছে আদালতের কার্যক্রমে।

দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘সরকার খালেদা জিয়ার মুক্তি প্রলম্বিত করতে চায়। আর আদালতের সিদ্ধান্তে সরকারের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটছে।’

For Advertisement

750px X 80px
Call : +8801911140321

খালেদা জিয়াকে চার মাসের জন্য জামিন দিয়ে হাইকোর্টের আদেশ আপিল বিভাগ রবিবার পর্যন্ত স্থগিত করার পর বুধবার দুপুরে নয়াপল্টনে সংবাদ সম্মেলন করেন মির্জা ফখরুল।

সকালে বিএনপি নেত্রীকে জামিন দিয়ে হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগের শুনানিতে দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান সময়ের আবেদন করলে রবিবার পর্যন্ত জামিন স্থগিত করে আপিল বিভাগ। এ সময় খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা শুনানি করতে চাইলেও তাদের বক্তব্য শুনেননি প্রধান বিচারপতি। জানান, রবিবার এ বিষয়ে তিনি শুনবেন।

এ নিয়ে আদালতে বাক বিতণ্ডার পর কক্ষ থেকে বের হয়ে প্রধান বিচারপতির পদত্যাগ চেয়ে মিছিল করেন বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়াকে রাজনীতি এবং নির্বাচন থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে সরকার মিথ্যা মামলায় কারান্তরীণ করে রেখেছে। এখন জামিন নিয়ে তিনি যাতে বের হয়ে যেতে না পারেন সে জন্য নানা ছলছাতুরি করছে’।

বিএনপি চেয়ারপারসন তার অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন অভিযোগ করে সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ‘খালেদা জিয়াকে ওকালত নামায় সই করতে দেয়া হচ্ছে না। বিচার বিভাগকে সম্পূর্ণ দলীয়করণ করা হয়েছে। বিএনপি লিগ্যাল রিলিফ এবং আইনি সুবিধাও পাচ্ছে না।’

‘নির্বাচনের বছরে বিএনপি যখন নির্বাচন করতে চায় তখনই এসব প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে সরকার। বিএনপি নেতাদের মামলার আসামি করতে ছক তৈরি করে তা সারাদেশে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে।’

খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে বিএনপির আন্দোলন কর্মসূচি চলবে কি না এমন প্রশ্নে ফখরুল বলেন, ‘আমাদের আন্দোলন কর্মসূচি চলছে। এটা চলবে। আইনি প্রক্রিয়াও চলবে।’

পরে মির্জা ফখরুলের পাশে বসা বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়ার জামিন আপিল বিভাগ স্থগিত করা আমাদের বিস্মিত করেছে। দুদকের আইনজীবীর কথা শোনার পর আমাদের কোনো কথা না শুনেই বিচারক আদেশ দিয়েছেন। বাংলাদেশে এমনটা দেখতে হবে সেটা কখনো ভাবিনি।’

‘এ ধরনের আদেশ দেয়া যুক্তিসঙ্গত হয়নি। আদালতের আজকের এই রায়ে আমরা ক্ষুব্ধ,ব্যথিত।’

খালেদা জিয়াকে কুমিল্লায় নাশকতার মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো বেআইনি বলেও দাবি করেন মওদুদ। বলেন, ‘হাইকোর্ট বলেছে জামিন হওয়ার পর আবার অন্য মামলায় শোন এরেস্ট দেখানো বেআইনি। কিন্তু তারা তা করছে।’

খালেদা জিয়ার আইনজীবী ও বিএনপি ভাইস চেয়ারম্যান খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, ‘আমরা মনে হচ্ছে বেগম খালেদা জিয়াকে একের পর এক মামলায় শোন এরেস্ট দেখিয়ে কারাগারে রাখবে। আর সরকারি দলের লোকজন সরকারি খরচে সারাদেশে ভোট চেয়ে বেড়াবে। আর আমরা আইনজীবীরা আদালতেরর দ্বারে দ্বারে ঘুরব।’

বিচার ব্যবস্থা নষ্ট হয়ে গেলে দেশে অরাজক পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে বলেও মন্তব্য করেন এই জ্যেষ্ঠ আইনজীবী।’

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান জয়নুল আবেদিন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম, আতাউর রহমান ঢালি প্রমুখ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

For Advertisement

750px X 80px Call : +8801911140321

কারেন্ট নিউজ বিডি'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। 

পাঠকের মতামত: