প্রচ্ছদ / জাতীয় / বিস্তারিত

For Advertisement

750px X 80px Call : +8801911140321

জাফর ইকবালকে ছুরিকাঘাত জঙ্গি হামলা: র‍্যাব

কারেন্ট নিউজ বিডি   ৫ মার্চ ২০১৮, ২:৩১:৪৩

রোববার সিলেটে অধ্যাপক ও লেখক মুহম্মদ জাফর ইকবালের ওপর এক যুবক ছুরি নিয়ে যে আক্রমণ চালিয়েছে তা একটি ‘জঙ্গি হামলা’ – বলছে র‍্যাব।

র‍্যাব-৯এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আলি হায়দার আজাদ আহমেদ বিবিসি বাংলাকে বলেন, আক্রমণের পরপরই ধরা পড়ে যাওয়া যুবকটি প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তাদেরকে এ তথ্য দিয়েছে।

For Advertisement

750px X 80px
Call : +8801911140321

“সে তথ্য দিয়েছে যে অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবালকে সে ‘ইসলামের শত্রু’ মনে করে এবং জঙ্গীবাদে বিশ্বাসী হয়েই সে এ হামলাটি করেছে” – বলেন তিনি।

শাহজালাল বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে রোববার বিকেলে একটি অনুষ্ঠান চলার সময় ফয়জুল হাসান নামে যুবকটি মঞ্চে উপবিষ্ট অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবালের ওপর আক্রমণ চালায়। সে ছুরি দিয়ে অধ্যাপক ইকবালের মাথায় কয়েকটি আঘাত করে।

অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবালকে সিলেটের ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রথমে চিকিৎসা দেয়া হয়, পরে তাকে হেলিকপ্টারে ঢাকায় সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। তিনি এখন আশংকামুক্ত বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।

আরো পড়ুন:সিএমএইচে এখন কেমন আছেন জাফর ইকবাল

আক্রমণকারী ফয়জুল হাসানকে হামলার পরপরই আশপাশের লোকেরা ধরে ফেলে, এবং ক্রুদ্ধ জনতার পিটুনিতে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নেয়া হয়।

লেফটেন্যান্ট কর্নেল আলি হায়দার আজাদ আহমেদ বলেন, আক্রমণকারীকে এখন চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে – যাতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে বিস্তারিত তথ্য বের করা যায়।

তিনি বলেন, এখন তাকে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে এবং সেখানেই তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে তার পরিচয় নিশ্চিত করা হয়েছে।

তিনি জানান, ফয়জুল হাসানের বয়স ২৩, তার বাবার নাম হাফেজ আতিকুর রহমান। সিলেট শহরের শেখপাড়ায় চাচার বাড়িতে তাদের অবস্থান, তবে তাদের গ্রামের বাড়ি সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই উপজেলার ধলঘাট গ্রামে।

ফয়জুল সিলেট শহরে এবং অন্যত্র একাধিক মাদ্রাসায় পড়েছে। আলিম পাস করার পর দাখিল পড়ার সময় সে লেখাপড়া ছেড়ে দেয়।

সে একটি কম্পিউটারের দোকানে পিওনের কাজ করতো। জানুয়ারি মাসে এ চাকরিও সে ছেড়ে দেয়।

“সে কোন সংগঠনের সাথে জড়িত কিনা, তার সাথে আর কেউ আছে কিনা বা কতদিন ধরে এ হামলার পরিকল্পনা সে করেছে – এগুলো জিজ্ঞাসাবাদের সময় আমরা পাইনি” – বলেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল আলি হায়দার আজাদ আহমেদ।

বাকি তদন্ত কার্যক্রম পুলিশ করবে বলে জানান তিনি।

২০১৬ সালের অক্টোবরে মুহম্মদ জাফর ইকবাল ও তার স্ত্রীকে আনসারুল্লাহ বাংলা টিম নামে একটি সংগঠনের নামে মোবাইলে বার্তা পাঠিয়ে হত্যার হুমকি দেয়া হয়েছিল।

মি. ইকবাল এবং তার স্ত্রী একই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. ইয়াসমিন হক এ বিষয়ে সিলেটের জালালাবাদ থানায় সাধারণ ডায়েরি বা জিডি করেছিলেন। সূত্র: বিবিসি বাংলা

For Advertisement

750px X 80px Call : +8801911140321

কারেন্ট নিউজ বিডি'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। 

পাঠকের মতামত: