প্রচ্ছদ / রংপুর / বিস্তারিত

For Advertisement

750px X 80px Call : +8801911140321

বৃষ্টি হলেই বন্ধ হয় পাঠদান

কারেন্ট নিউজ বিডি   ৩১ মার্চ ২০১৮, ৫:০৮:৩৭

ঢাকা, ৩১ মার্চকারেন্ট নিউজ বিডিবিদ্যালয় ভবন নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে ৮ মাস আগে। কিন্তু তা কি খুব কম সময়? এতোদিন পেরিয়ে গেলেও গাইবান্ধা সদর উপজেলার কামারজানী ইউনিয়নের গোঘাট গ্রামের কলমু এফএনসি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নিজস্ব একটি জায়গা মেলেনি, গড়ে ওঠেনি অবকাঠামো। কামারজানী উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের মাঠে বস্তা পেতে বসে পাঠদান করানো হচ্ছে সেই বিদ্যালয়ের দেড় শতাধিক শিক্ষার্থীকে।

এতে করে বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে কোমলমতি ছাত্রছাত্রীদের। এখন যে স্থানে পাঠদান করানো হচ্ছে সেখানে সামান্য বৃষ্টি হলেই পানি জমে। ফলে বন্ধ থাকে তাদের পাঠদান।

For Advertisement

750px X 80px
Call : +8801911140321

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ১৯৪৫ সালে স্থাপিত হয় এ বিদ্যালয়টি, আর সরকারিকরণ হয় ১৯৭৩ সালে। মানুষ গড়ার এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছেন চারজন এবং শিক্ষার্থী রয়েছে ১৫১ জন।

২০১৭ সালের ১৭ জুলাই বিদ্যালয়টির ভবন নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। এরপর থেকে কামারজানী উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের মাঠে পাঠদান করানো হচ্ছে শিক্ষার্থীদের। এসব শিক্ষার্থীদের পাঠদানে লিখতে, বসতে, উড়ে আসা ধুলোবালি ও রোদের কারণে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, কামারজানী উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে মাঠের উত্তর পাশের নিচু জায়গায় বাঁশের খুঁটি পুঁতে তার উপরে টিন দিয়ে বসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা বাড়ি থেকে প্লাস্টিকের বস্তা এনে বসে পড়াশোনা করে প্রতিদিন।

তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী চম্পা রানী, মাহিয়া মাহবুবা, ফুয়াদ মিয়া এবং পঞ্চম শ্রেণির কুইল মিয়া ও ইশিতা আক্তার  জানায়, আমাদের নিজেদের বাড়ি থেকে বস্তা এনে বসে পড়াশোনা করতে হচ্ছে। রোদের কারণে গরমে পড়ায় মনোযোগ নষ্ট হচ্ছে। এছাড়া জায়গা কম থাকায় বসে লিখতে ও পড়তে সমস্যা হচ্ছে। রাস্তা দিয়ে সাইকেল-মোটরসাইকেল চলাচলের সময় ধুলো উড়ে এসে চোখে-মুখে পড়ে। আমরা খুব সমস্যায় এখানে লেখাপড়া করছি।

প্রধান শিক্ষক আফরোজা বেগম বলেন, শিক্ষার্থীদের পাঠদান করানো নিয়ে আমাদের সমস্যা হচ্ছে। রাস্তা দিয়ে মোটরসাইকেল চলাচলের সময় ধুলো উড়ে এসে চোখে-মুখে পড়ে। আমরা এখন যেখানে আছি বৃষ্টি হলেই সেখানে পানি জমে থাকে। খুব তাড়াতাড়ি নিজস্ব জায়গা ও ভবন প্রয়োজন আমাদের।

বিদ্যালয়টির সভাপতি মো. শফিউল ইসলাম বলেন, বিদ্যালয়ের জন্য ২৮ শতাংশ একটি জমি ক্রয় করা হয়েছে। আগামী মাসে দলিলের কাজ শেষ করতে পারলে ওই জায়গায় মাটি ভরাট করে উঁচু করা হবে ও অবকাঠামো নির্মাণ করা হবে।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. আমিনুল ইসলাম মণ্ডল বলেন, বিদ্যালয়টির বিস্তারিত তথ্য আমরা অধিদপ্তরে পাঠিয়েছিলাম। উপজেলা শিক্ষা অফিসের নিকট কিছু বরাদ্দ এসেছে। খুব দ্রুত আমরা এই স্কুলের ব্যাপারটি দেখব।

For Advertisement

750px X 80px Call : +8801911140321

কারেন্ট নিউজ বিডি'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। 

পাঠকের মতামত: