For Advertisement

750px X 80px Call : +8801911140321

২০১৯ সালের মার্চের মধ্যে ডাকসু নির্বাচন

কারেন্ট নিউজ বিডি   ৫ মার্চ ২০১৮, ৪:৩১:৪১

আগামী বছরের মার্চ মাসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন দেয়ার লক্ষ্যে কাজ শুরু করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। সকল পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিতের মাধ্যমে আগামী বছরের ৩০ মার্চের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সেজন্য এ বছরের ৩০মে এর মধ্যে হলগুলোকে ডাকসু নির্বাচনের ভোটার তালিকা হালনাগাদ করতে বলেছে সিন্ডিকেট। পাশাপাশি সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন সম্পন্ন করতে ‘পরিবেশ সংসদ’কে পুনরুজ্জীবিত করে ছাত্র সংগঠনসমূহের সঙ্গে আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

মঙ্গলবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেটের এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

For Advertisement

750px X 80px
Call : +8801911140321

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান এবিষয়ে জানতে চাইলে বলেন, ‘ডাকসু নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। এ নির্বাচন নিয়ে আমরা বিভিন্ন ফোরামে আলোচনা করছি। ইতোমধ্যে শিক্ষার্থীদের তালিকা হালনাগাদ করার জন্য প্রাধ্যক্ষদের বলা হয়েছে। এ বিষয়টি প্রভোস্ট কমিটিকে বলা হয়েছে, সিন্ডিকেটকেও আজকে বলা হয়েছে। ২০১৯ সালের মার্চ মাসে সব ক্রিয়াশীল ছাত্র সংগঠনকে নিয়ে নির্বাচনটি অনুষ্ঠিত হবে। হল ছাত্র সংসদ ও কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ করবো আমরা। এগুলো কতগুলো নিয়মনীতির মাধ্যমে হবে। সেগুলো সুশৃঙ্খলভাবে করার লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি। সিন্ডিকেটও সম্মতি দিয়েছে। আমরাও এ বিষয়টি নিয়ে ভালোভাবে কাজ করছি।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. এএসএম মাকসুদ কামাল বলেন, ‘তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন অনুযায়ী ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে রোববার দুপুরের বিশ্ববিদ্যালয় শৃঙ্খলা কমিটির সভায় বহিষ্কারের সুপারিশ করা হয়। সে অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে সিন্ডিকেট এ সিদ্ধান্ত নেয়।’ সিনডিকেট সূত্র জানায়, ধার দেয়া ক্যালকুলেটর ফেরত চাওয়ায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীকে মেরে রক্তাক্ত করার ঘটনায় ৭ ছাত্রলীগ নেতাকে বিভিন্ন মেয়াদে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এর মধ্যে একজনকে স্থায়ী, ৫ জনকে দুই বছর, ১ জনকে এক বছর এবং সবাইকে হল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।

স্থায়ীভাবে বহিষ্কৃতরা হলেন- শাখা ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক ও মার্কেটিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মো. ওমর ফারুক। দুই বছরের জন্য বহিষ্কার হয়েছেন- শাখা ছাত্রলীগের সদস্য সামিউল ইসলাম সামি (সমাজবিজ্ঞান বিভাগ), সদস্য আহসান উল্লাহ (দর্শন বিভাগ), সহ-সম্পাদক মো. রুহুল আমিন বেপারী (গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ), প্রশিক্ষণ বিষয়ক উপ-সম্পাদক মো. মেহেদী হাসান হিমেল (উর্দু বিভাগ), সহ-সম্পাদক ফারদিন আহমেদ মুগ্ধ (লোক প্রশাসন বিভাগ)। এদের প্রত্যেকেই দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। তাছাড়া ঘটনায় প্ররোচনা দেয়ার দায়ে হল ছাত্রলীগের সহসভাপতি এবং শিক্ষা ও গবেষণা ইন্সটিটিউটের ৪র্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মো. আরিফুল ইসলামকে ১ বছরের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।

এছাড়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সহপাঠীর বিরুদ্ধে অশ্লীল মন্তব্য ছড়ানোর দায়ে পালি এন্ড বুদ্ধিস্ট স্টাডিজ বিভাগের ৫ শিক্ষার্থীকে ২ বছরের জন্য বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বহিষ্কৃতরা হলেন- আশিকুর রহমান, হযরত আলী, মোসতাকিম আল মামুন পিয়াল, মো. জহুরুল ইসলাম এবং রাশেদ আহমেদ। এদের প্রত্যেকেই বিভাগটির দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।

এ বিষয়ে ভিসি অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান বলেন, ‘শৃঙ্খলা কমিটির দেয়া সুপারিশসমূহ আমরা গ্রহণ করেছি। একটি হচ্ছে এক শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনায়। অন্যটি সহপাঠীকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে অশ্লীল মন্তব্য করার দায়ে।’ তিনি বলেন, ‘অপরাধ করলে কাউকে ছাড় নয়।’

প্রসঙ্গত, ৬ ফেব্রুয়অরি রাতে ধার দেয়া ক্যালকুলেটর ফেরত চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সলিমুল্লাহ মুসলিম (এসএম) হলের ছাত্র এবং দুর্যোগ বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের এহসান রফিককে মেরে রক্তাক্ত করে শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এতে ওই শিক্ষার্থীর শরীরের বিভিন্ন অংশে মারত্মক জখম হয় এবং বাম চোখের কর্নিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরের দিন তাকে হল ছাত্রলীগের সভাপতির কক্ষে আটকে রাখা হয়। অপকর্মের দায় থেকে মুক্তি পেতে তার বিরুদ্ধে ‘শিবির’ সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ আনা হয়। বর্তমানে এহসান গ্রামের বাড়ি ঝিনাইদহে অবস্থান করছে। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চেন্নাইয়ে নেয়ার প্রস্তুতি চলছে।

For Advertisement

750px X 80px Call : +8801911140321

কারেন্ট নিউজ বিডি'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। 

পাঠকের মতামত: