প্রচ্ছদ / রাজশাহী / বিস্তারিত

For Advertisement

750px X 80px Call : +8801911140321

ফসলী জমিতে গড়ে ওঠছে ভারী শিল্প কারখানা

কারেন্ট নিউজ বিডি   ৯ এপ্রিল ২০১৮, ৪:১১:২৯

ঢাকা, ০৯ এপ্রিলকারেন্ট নিউজ বিডি : চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার শেষ প্রান্ত থেকে সদর উপজেলার ঝিলিম ইউনিয়নের বরেন্দ্র এলাকার বিস্তীর্ণ ও উৎকৃষ্ট ফসলী জমির বুক চিরে যাওয়া চাঁপাইনবাবগঞ্জ-আমনুরা-নাচোল সড়কের দু’ধারে গড়ে উঠেছে বিশাল বিশাল অটোরাইস মিল। ৩২ টি মিল দেশের চাল উৎপাদন ও যোগানে এখন গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। রাইস মিলগুলো দেশের খাদ্য নিরাপত্তায় অবদান অনস্বীকার্য।

ওই এলাকায় ক্রমাগত তৈরী হচ্ছে মিল কারখানা । এলাকাটি এখন ভারী শিল্প অঞ্চলে রুপান্তরিত হযেছে । এলাকায় রয়েছে দুগ্ধ প্রক্রিয়াজাত প্লান্ট, সরকারী ও রেন্টাল বিদ্যূৎ উৎপাদন কেন্দ্র, রপ্তানীমুখী জুট মিল প্রভৃতি । এলাকার বিভিন্নমুখী সড়ক ও রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা ভাল । কিন্তু ফসলী জমিতে তৈরী কারখানাগুলি পূর্ণ পরিবেশ ও প্রতিবেশবান্ধব নয় । এগুলি নির্মাণে ভরাট হয়েছে অনেক জলাভূমি।

For Advertisement

750px X 80px
Call : +8801911140321

বন্ধ করা হয়েছে বিশাল বিলের মুখ । কারখানার কালো ধোয়া, ছাই ও বর্জ্য পরিবেশের ক্ষতি করে চলেছে। অনেক কারখানায় নেই ইটিপি প্লান্ট ( বর্জ্য মিশ্রিত পানি শোধনাগার)। এলাকাবাসী মাঝে মাঝে পরিবেশের ব্যাপারে বিছিন্নভাবে প্রতিবাদ করলেও সেগুলি দৃষ্টি কাড়েনি কারও। পরিবেশ ছাড়পত্রসহ কারখানাগুলির প্রয়োজনীয় কাগজপত্র অনেকাংশে ঠিক থাকলেও বাস্তব পরিস্থিতি ভিন্ন । এলাকাবাসী বলছেন, শিল্প কারথানার বিরোধী তাঁরা নন । কিন্তু পরিবেশ রক্ষা করে এগুলি পরিচালনা করা হোক । চাঁপাইনবাবগঞ্জে পরিবশেবাদী সংগঠন ‘সেভ দ্য নেচার’ কো-অর্ডিনেটর রবিউল হাসান ডলার বলেন, এলাকার পরিবেশ রক্ষার ব্যাপারটি অবশ্যই অনেক গুরুত্বপূর্ণ।

কিন্তু প্রভাবশালী মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানগুলির কার্যক্রম নিয়মিত মনিটরিং করা এবং প্রয়োজনে ব্যবস্থাগ্রহণ সত্যিই কঠিন। এ ক্ষেত্রে সকল মহলের সচেতনতা জরুরী বলে মনে করেন তিনি। সংশ্লিস্ট ঝিলিম ইউপি চেয়ারম্যান তসিকুল ইসলাম বলেন, আলোচ্য বিষয় ও সংশ্লিস্ট সমস্যাগুলি  নিয়ে আজকেই ( ০৮ এপ্রিল ১৮’ রোববার সকালে) জেলার সর্বোচ্চ পর্য়ায়ে সভা হয়েছে। জেলা প্রশাসকের সভাপতিত্বে সভায় পুলিশ সুপার, পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক, সওজ প্রকৌশলী, খাদ্য কর্তৃপক্ষ প্রতিনিধি,মিল মালিকদের দুটি সমিতি নেতৃবন্দ, সদর উপজেলা ও ভুমি অফিসের কর্মকর্তারাসহ সংশ্লিস্টরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পরিবশে রক্ষা, সড়ক রক্ষা, জলাশয় ভরাট, আইন মেনে মিলগুলি পরিচালিত হচ্ছে কিনা সেসব বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সভায় সিদ্ধান্ত হয় এ ব্যাপারে সংশ্লিস্ট পক্ষ সমুহকে নিয়ে একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠিত হবে। তাঁরা সরেজমিনে তদন্ত করে প্রত্যেক মিলের অসঙ্গতিসমুহ খতিয়ে দেখে রিপোর্ট তৈরী করবেন।

সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে । অপরিকল্পিত শিল্পায়নে এলাকার পরিবেশের প্রতি হুমকি সৃষ্টির বিষয়টি স্বীকার করে চেয়ারম্যান বলেন, এ ব্যাপারে সবসময় তাঁদের নজর রয়েছে। পরিবেশ ছাড়পত্র ছাড়া কোন অবস্থায় ইউপি কর্তৃপক্ষ কোন মিলকে ট্রেড লাইসেন্স দেয় না। তিনি এ ব্যাপারে সকলের সহযোগিতা আশা করেন।

For Advertisement

750px X 80px Call : +8801911140321

কারেন্ট নিউজ বিডি'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। 

পাঠকের মতামত: