For Advertisement

750px X 80px Call : +8801911140321

উল্টো মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে হয়রানির অভিযোগ

কারেন্ট নিউজ বিডি   ৯ এপ্রিল ২০১৮, ৪:১২:৪০

ঢাকা, ০৯ এপ্রিলকারেন্ট নিউজ বিডি : নওগাঁর মান্দায় আদম ব্যাপারী লাখ লাখ টাকা আত্মসাত করে উল্টো নিরীহ মানুষকে মামলায় ফাঁসিয়ে হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গেছে। দীর্ঘ প্রায় ৫ বছর ধরে বিদেশ যাওয়া দুরে থাক টাকা ও ফাঁকা চেক বই ফেরত চাইলে অসহায় দুলাল হোসেনকে মিথ্যা মামলায় জেলে যেতে হয়েছে। এছাড়া একটি ধর্ষণ মামলায় দুলালসহ অপর ৯জনকে ফাঁসানো হয়েছে।

আদম ব্যাপরীর খপ্পরে পড়ে সহায়-সম্বল হারিয়ে পথে বসেছেন অসহায় দুলাল হোসেনসহ তার পরিবারের সদস্যরা। বর্তমানে তারা হয়রানির শিকার হয়ে বিচারের আশায় মানুষের দুয়ারে দুয়ারে ঘুরছেন। ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়েছে।

For Advertisement

750px X 80px
Call : +8801911140321

সরেজমিনে ঘটনাস্থলে গেলে জানা যায়, উপজেলার মৈনম ইউপি’র ভদ্রসেনা গ্রামের মালয়েশিয়া ফেরত জয়নাল আবেদিন জয় এর মাধ্যমে জাহাঙ্গীর আলম, জাকির হোসেন এবং আয়নাল হক, তাছির উদ্দিন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে আদম ব্যাপারীর কাজ করে আসছিল। অভিযুক্ত আদম ব্যাপরীরা একই এলাকার মৃত লোকমান হোসেনের ছেলে দুলাল হোসেনকে সুদানে উচ্চ বেতনের চাকুরীর প্রলোভন দিয়ে ১৫-০৫-২০১৩ তারিখে তিন লাখ টাকা, ১৮-০৯-২০১৩ তারিখে আরও এক লাখ টাকা এবং ০৮-১০-২০১৩ তারিখে ফাঁকা চেক বই (ব্যাঙ্ক) হাতিয়ে নেয়। পরে আজ নয় কাল বলে বিদেশ পাঠাতে না পেরে নানা ছলচাতুরীর আশ্রয় নিয়ে কাল ক্ষেপণ করে চলেছে।

বিদেশ পাঠাতে ব্যর্থ হলে অসহায় ও সহায় সম্বলহীন দুলাল স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের স্মরণাপন্ন হলে গত ১২-১২-২০১৬ তারিখে এক সালিশে আদম ব্যাপারীরা টাকা ও একটি চেক বই গ্রহণের কথা স্বীকার করেন। পরে আদম ব্যাপারী তাছির উদ্দিন ৬মাসের মধ্যে বিদেশ পাঠাতে ব্যর্থ হলে এক অঙ্গীকারনামা লিখে দিয়ে সে যাত্রায় আদম ব্যাপারীরা রক্ষা পান। কিন্তু আজ পর্যন্ত তাকে বিদেশ পাঠানো হচ্ছে না, আবার সমুদয় টাকা ফেরত না দিয়ে আদম ব্যাপারী জাহাঙ্গীর আলমের স্ত্রী সালমা বেগমকে বাদি করে একটি মিথ্যা ধর্ষণ মামলায় দুলাল হোসেন,জামাল হোসেন, জার্মান, আবদুল আলিম, হায়দার আলী, জাহাঙ্গীর আলম, আবদুর রশিদ, জহুরুল ইসলাম, বাবুল হোসেন, মকবুল হোসেনকে জড়িত করা হয়েছে। বর্তমানে তারা জামিনে রয়েছেন।

মৈনম ইউপি চেয়ারম্যান ইয়াছিন আলী রাজা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

অসহায় দুলাল হোসেন কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, বাড়ি ভিটা ছাড়া আমার আর কিছু নেই। অভাবের সংসারে মা, স্ত্রী, দুই সন্তান নিয়ে কোন মতে দিনানিপাত করছি। দু:খের সংসারে একটু সুখের আশায় সুদানে যাবার জন্য সেসময় অনেক ধার দেনা ও কষ্ট করে নগদ চার লাখ টাকা সংগ্রহ করে আদম ব্যাপারী জাহাঙ্গীর ও জাকিরের হাতে তুলে দিয়েছিলাম। পরে তারা আরও ২লাখ টাকা দাবী করে। তারা প্রবাসি কল্যাণ ব্যাংকে সিকিউরিটির কথা বলে আমার কাছ থেকে সোনালী ব্যাংক নওগাঁর কাচারি সড়কের কেডির মোড় শাখার একটি ১০ পাতার চেক বই নেয়। কিন্তু তারপরও বিদেশ যেতে পারিনি।

অনেক বার বলে কয়ে হাতে পায়ে ধরেও টাকা এবং চেক বই ফেরত নিতে পারিনি। উল্টো আদম ব্যাপরী জাহাঙ্গীর আলম তার স্ত্রী সালমা বেগমকে দিয়ে মিথ্যা ধর্ষণ মামলায় ১০ জনকে আসামী করে ফাঁসিয়ে হয়রানি করা হয়। মামলায় আমিসহ জামাল হোসেন এবং আলিম হোসেনকে ৭ দিন জেল পর্যন্ত খাটতে হয়েছে। জামিলে বেরিয়ে এলে পরে আবারো ওই আদম ব্যাপরী জাহাঙ্গীর পাঁচ লাখ সত্তর হাজার টাকা এবং জাকির পাঁচ লাখ পঞ্চাশ হাজার টাকা দাবি করে আরো দুটি মিথ্যা চেকের মামলায় আমাকে ফাঁসায়।

For Advertisement

750px X 80px Call : +8801911140321

কারেন্ট নিউজ বিডি'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। 

পাঠকের মতামত: