প্রচ্ছদ / খেলাধুলা / বিস্তারিত

For Advertisement

750px X 80px Call : +8801911140321

যে কারণে এশিয়ান গেমসে ২০১৮-তে বাংলাদেশের অর্জন শূন্য

কারেন্ট নিউজ বিডি   ৩০ আগস্ট ২০১৮, ৪:১৪:১৬

ঢাকা, ৩০ আগস্ট, কারেন্ট নিউজ বিডিইন্দোনেশিয়ায় অনুষ্ঠিত এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশি অ্যাথলেটদের এমন হতাশ চেহারা দেখা গিয়েছে। বাংলাদেশের হকি দল এশিয়ান গেমসে পাকিস্তানের কাছে ৫-০ গোলে হারার পর কার্যত যেকোনো ধরনের খেলায় ২০১৮ এশিয়ান গেমসে কোনো পদক পাওয়ার আশা শেষ হয়ে গিয়েছে বাংলাদেশের।
১৯৭৮ সালে বাংলাদেশ প্রথম এশিয়ান গেমসে অংশ নেয়। এরপর প্রথম পদকটি আসে ১৯৮৬ সালে। সিউলের সেই আসরে মোশাররফ হোসেনের হাত ধরে প্রথম পদক এসেছিল। বক্সিংয়ে ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন মোশাররফ। পরের ৭টি আসরে একটি পদক হলেও পেয়েছে বাংলাদেশ। কিন্তু এবার কোনো পদক পায়নি বাংলাদেশের কোনো ক্রীড়াবিদ।
বাংলাদেশের একজন ক্রীড়া সংগঠক পারভিন নাসিমা নাহার পুতুলের মতে, “দোষারোপের সংস্কৃতির একটা প্রতিচ্ছবি পদকহীন বাংলাদেশ।”
তিনি বলেন, “প্রত্যেকটা ফেডারশনের উচিৎ একটা ক্যালেন্ডার মেইনটেইন করা। কোথাও দীর্ঘমেয়াদী অনুশীলন নেই। ভালো কোচ নেই। প্রত্যেক ফেডারেশনের টাকার ঘাটতি। সব মিলিয়ে এই ভরাডুবি।”
পুতুলের মতে, এর পরিবর্তনটা এটা একটা প্রক্রিয়া। যে টাকাটা আছে তা দিয়ে সেখানে পরিকল্পনামাফিক সেসব ফেডারেশনের পদকের সম্ভাবনা রয়েছে, তাদের সাথে বসে পদকের জন্য চেষ্টা করা উচিৎ। অন্তত ১০-১২টি ফেডারেশন তো পাওয়াই যাবে। ফেডারেশন ও ক্রীড়া পরিষদের সমন্বয়হীনতাকে বড় কারণ হিসেবে দেখছেন পারভিন নাসিমা নাহার পুতুল।
তিনি বলেন, ‘প্রতিটি ফেডারেশন গেমস শুরু হবার ৪/৫ মাস আগে শুরু করে অর্থের জন্য দৌড়াদৌড়ি। এরপর শুরু হয় খেলোয়াড়দের প্রস্তুতি।’
এ সময় তিনি ক্রীড়া পরিষদ ও ফেডারেশন একসাথে উদ্যোগ নিয়ে কাজ করার উপর গুরুত্বারোপ করেন।
পুতুলের মতে, “এই সংগঠনগুলো একসাথে বসতে চায় না। শুধু দোষারোপ করেই দায়মুক্ত হবার চেষ্টা করে। যার ফলে একটি পদকও আসেনি এবার।”
মূলত আর্চারি, শুটিং, সাঁতার- এগুলো বাড়তি নজর দেয়ার কথা বলেছেন এই ক্রীড়া সংগঠক।
ফুটবলে দ্বিতীয় রাউন্ডে ওঠা বাংলাদেশের আলোচিত অর্জন এবারের এশিয়ান গেমসে।
একমাত্র স্বর্ণ পদকটি ২০১০ সালের গুয়াংজু এশিয়ান গেমসে ছেলেদের ক্রিকেট থেকে পাওয়া। এশিয়ান গেমসে কাবাডি থেকে সর্বোচ্চ ৭টি পদক পায় বাংলাদেশ। ২০১৪ সালের ইনচনের আসরে ক্রিকেটে মেয়েরা রৌপ্য এবং ছেলেরা ব্রোঞ্জ জিতেছিল। অপর ব্রোঞ্জ পদকটি এসেছিল মেয়েদের কাবাডি থেকে।
এশিয়ান গেমসের ১৮তম আসরে ১৪টি ডিসিপ্লিনে ৮৬জন ছেলে ও ৩১জন মেয়ে মিলিয়ে মোট ১১৭ জন অ্যাথলেট অংশ নেন।
বাংলাদেশের দ্রুততম মানবী শিরিন আক্তার। তিনি টানা ৭বার জাতীয় পর্যায়ে ১০০ মিটার দৌড়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন। শিরিন মনে করেন, একটা খেলোয়াড়ের মধ্যে যে প্রতিভা থাকে সেটার উন্নয়নের জন্যই ফেডারেশনকে ব্যবস্থা করতে হবে।
এশিয়ান গেমসের ভরাডুবির পেছনে বেশ কিছু কারণ উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, এর মধ্যে রয়েছে অনুশীলনহীনতা, ভালো কোচ না থাকা, পরিকল্পনাহীনতা ও যথাযথ খাবারের ব্যবস্থা না থাকা।
তিনি বলেন, “একটা খেলোয়াড়ের মধ্যের ব্যাপারটা বের করে আনাটাই প্রশাসন ও প্রশিক্ষকের দায়িত্ব। আমার সামর্থ্য কতটুকু এটাও একটা এনালাইসিসের বিষয়।”
“আমাদের দেশের সুযোগ-সুবিধা তো অবশ্যই কম, এর পাশাপাশি আমরা একদম সাদামাটা খাবার খাই, কোনো ফুড সাপ্লেমেন্ট থাকে না।”
শিরিন মনে করেন, খেলোয়াড়দের ব্যর্থতা আছে ঠিক। তবে অবকাঠামোগত দিকটাও পরিবর্তন করা দরকার।

সূত্র: বিবিসি।

For Advertisement

750px X 80px
Call : +8801911140321

For Advertisement

750px X 80px Call : +8801911140321

কারেন্ট নিউজ বিডি'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। 

পাঠকের মতামত: