প্রচ্ছদ / ধর্ম / বিস্তারিত

For Advertisement

750px X 80px Call : +8801911140321

আজ শুভ জন্মাষ্টমী

কারেন্ট নিউজ বিডি   ২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৬:২২:৪০

ঢাকা, ০২  সেপ্টেম্বর, কারেন্ট নিউজ বিডি : আজ হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উত্সব শুভ জন্মাষ্টমী। হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা বিশ্বাস করেন যে, আজ থেকে প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার বছর আগে দ্বাপর যুগে ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ আবির্ভূত হয়েছিলেন। পৃথিবীতে দুষ্টদের দমন আর শিষ্টের লালনের জন্যই তাদের ভগবান শ্রীকৃষ্ণ এই দিনে স্বর্গ থেকে পৃথিবীতে আবির্ভূত হয়েছিলেন।

প্রতি বছরের মতো এবারও জন্মাষ্টমী উদযাপনে বিশ্ব হিন্দু সম্প্রদায়ের বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। বাংলাদেশে দিনটি উপলক্ষে অনুষ্ঠানমালায় রয়েছে-গীতাযজ্ঞ, জন্মাষ্টমীর শোভাযাত্রা, কৃষ্ণপূজা, আলোচনা সভা, কীর্তন, আরতি, প্রসাদ বিতরণ, সাহিত্য-সাংস্কৃতিক ও কুইজ প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, গীতিনৃত্য, নাটক প্রভৃতি। এ ছাড়া বাংলাদেশ টেলিভিশন, বেতারসহ বিভিন্ন বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল বিশেষ অনুষ্ঠানমালা প্রচার এবং সংবাদপত্রগুলো বিশেষ নিবন্ধন প্রকাশ করবে। সোমবার সরকারি ছুটি।

For Advertisement

750px X 80px
Call : +8801911140321

জন্মাষ্টমী উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, জাতীয় সংসদে বিরোধী দলীয় নেতা রওশন এরশাদ এবং বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া পৃথক বাণীতে হিন্দু সম্প্রদায়সহ দেশবাসীর প্রতি শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এ দিন বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত বঙ্গভবনে হিন্দু সম্প্রদায়ের গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সম্মানে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করবেন।আন্তর্জাতিক কৃষ্ণ ভাবনামৃত সংঘের (ইসকন) তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালা আজ থেকে স্বামীবাগ আশ্রমে অনুষ্ঠিত হবে। রমনা কালীমন্দির ও মা আনন্দময়ী আশ্রম বিকেলে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের মন্দির চত্তর থেকে মঙ্গল শোভাযাত্রা ছাড়াও নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করবে। এ ছাড়া রাজধানীর মিরপুর কেন্দ্রীয় মন্দির, স্বামী ভোলানন্দ গিরি আশ্রম, প্রভু জগবন্ধু মহাপ্রকাশ মঠ, রাধামাধব জিও দেব বিগ্রহ মন্দির, বরদেশ্বরী কালীমাতা মন্দির ও শ্মশান, রাধা গোবিন্দ জিও ঠাকুর মন্দির, শিবমন্দির, রামসীতা মন্দির, মাধব গৌড়ীয় মঠসহ বিভিন্ন মন্দির, পূজামণ্ডপ ও ধর্মীয় সংগঠন জন্মাদ্বমী উপলক্ষে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করবে।

হিন্দু সম্প্রদায় বিশ্বাস করেন যে, কৃষ্ণ স্বয়ং ঈশ্বর। শ্রীকৃষ্ণ পৃথিবীকে কলুষ মুক্ত করতে কংস, জরাসন্ধ ও শিশুপালসহ বিভিন্ন অত্যাচারিত রাজাদের ধ্বংস করেন এবং ধর্মরাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন। হিন্দু ধর্মমতে, ভগবান শ্রীকৃষ্ণের অপ্রাকৃত লীলাকে কেন্দ্র করেই জন্মাষ্টমী উত্সব। ঐ সময় অসুররূপী রাজশক্তির দাপটে পৃথিবী হয়ে ওঠে ম্রিয়মাণ, ধর্ম ও ধার্মিকেরা অসহায় সঙ্কটাপন্ন অবস্থায় নিক্ষিপ্ত হন। অসহায় বসুমতি পরিত্রাণের জন্য প্রজাপতি ব্রহ্মার শরণাপন্ন হন। ব্রহ্মার পরামর্শে দেবতারা সবাই মিলে যান দেবাদিদেব মহাদেবের কাছে পরিত্রাণের উপায় খুঁজে বের করতে। সৃষ্টি, স্থিতি ও প্রলয়ের যুগসন্ধিক্ষণে তারা সকলে বিষ্ণুর বন্দনা করেন। স্বয়ং ব্রহ্মা মগ্ন হন কঠোর তপস্যায়। ধরণীর দুঃখ-দুর্দশায় ব্যথিত হয়ে দেবতাদের ডাকে সাড়া দিয়ে তিনি দেবতাদের অভয়বাণী শোনান এই বলে যে, তিনি অচিরেই মানবরূপে ধরাধামে অবতীর্ণ হবেন দেবকীর অষ্টম গর্ভের সন্তানরূপে শঙ্খ, চক্র, গদাপদ্মধারী শ্রীকৃষ্ণ নামে। কংসের কারাগারে বন্দী দেবকী গর্ভে শ্রীকৃষ্ণ জন্মলাভ করেন। গীতাতে শ্রীকৃষ্ণ অর্জুনকে বলেছেন, আমি জন্মহীন, অব্যয় আত্মা, ভূতগণের ঈশ্বর (শাসক, নিয়ন্তা শ্রষ্টা) হয়েও নিজ প্রকৃতিকে (অনির্বচনীয় মায়াশক্তিকে) আশ্রয় করে আত্মমায়ায় জন্মগ্রহণ করি।

For Advertisement

750px X 80px Call : +8801911140321

কারেন্ট নিউজ বিডি'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। 

পাঠকের মতামত: