প্রচ্ছদ / খেলাধুলা / বিস্তারিত

For Advertisement

750px X 80px Call : +8801911140321

পাকিস্তানকে গুড়িয়ে বাংলাদেশের ফাইনালে খেলা নিশ্চিত করল টাইগাররা

কারেন্ট নিউজ বিডি   ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ২:১৫:৩৪

ঢাকা, ২৭ সেপ্টেম্বর, কারেন্ট নিউজ বিডি : পাকিস্তানকে হারিয়ে এশিয়া কাপের ফাইনালে পৌছে গেছে মাশরাফিদের দল। আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর দুবাইয়ে ফাইনালে ভারতের মুখোমুখি হবে বাংলাদশ। টাইগারদের দেওয়া ২৪০ রানের সহজ লক্ষ্য তাড়া করে পাকিস্তান নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে সংগ্রহ করে ২০২ রান। ফলে ৩৭ রানের সহজ জয় পায় বাংলাদেশ।

মোস্তাফিজ একাই নিয়েছেন চার উইকেট। ম্যান অব দ্য ম্যাাচ হয়েছেন ৯৯ রান করে আউট হওয়া মুশফিকুর রহিম।

For Advertisement

750px X 80px
Call : +8801911140321

বুধবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাতে আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে বাংলাদেশের দেওয়া ২৪০ রানের লক্ষ্য তাাড়া করে ব্যাটিং করতে নেমে ১৮ রানেই তিন উইকেট হারায় পাকিস্তান। সেখান থেকে দলের হাল ধরেন শোয়েব মালিক এবং ইমাম-উল হক।

চলতি এশিয়া কাপে প্রায় প্রতি ম্যাচেই দলের ব্যাটিংয়ে হাল ধরা পাকিস্তানি অলরাউন্ডার শোয়েব মালিক এই ম্যাচেও দাঁড়িয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু ৫১ বলে ২ চারে ৩০ রান করা মালিককে ফিরিয়ে টাইগার শিবিরে স্বস্তি ফিরিয়ে আনেন রুবেল হোসেন। ৬৭ রানের জুটি গড়েন দুই পাকিস্তানি ব্যাটসম্যান।

৪৭ বলে ৩১ রান করে ফিরে যান আসিফ আলি। পরের ওভারে বোলার ছিলেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ওভারের পঞ্চম বলে তাকে এগিয়ে এসে খেলতে যান ইমাম-উল হক।লিটন দাসের স্টাম্পিংয়ের শিকার হন তিনি। ফেরার আগে ১০৫ বলে ২ চার ও ১ ছক্কায় ৮৩ রানের লড়াকু ইনিংস খেলেন ইমাম।

এরপর তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে পাকিস্তান। দ্বিতীয় দফায় ছোবল হানেন মোস্তাফিজ। দুর্দান্ত স্লোয়ারে হাসান আলি ও মোহাম্মদ নওয়াজকে ফিরিয়ে দেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ৯ উইকেটে ২০২ রান তুলতে সক্ষম হয় সরফরাজ বাহিনী। শাহীন আফ্রিদি ১৪ ও জুনায়েদ খান ৩ রান নিয়ে অপরাজিত থাকেন। এদিন একরকম পাকিস্তানকে একাই ধসিয়ে দেন দ্য ফিজ। শিকার করেন ৪ উইকেট।

তবে শেষ পর্যন্ত পাকিস্তান খেলা শেষ ওভারে নিয়ে যায়।

এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ৪৮.৫ ওভারে ২৩৯ রান সংগ্রহ করে অলআউট হয়ে যায় টাইগাররা। ম্যাচের তৃতীয় ওভারের পঞ্চম বলে বড় শট খেলতে গিয়ে আউট হয়ে ফেরেন এক বছর পর ওয়ানডে দলে ডাক পাওয়া সৌম্য সরকার। স্কয়ার লেগে দাঁড়িয়ে ক্যাচ নেন ফখর জামান। তিন নম্বরে ব্যাট করতে আসেন মুমিনুল হক।

 

পরের ওভারের চতুর্থ বলে শাহীন শাহ আফ্রিদিকে দুর্দান্ত এক শটে ইনিংসের প্রথম বাউন্ডারি হাঁকান মুমিনুল। কিন্তু পরের বলেই আফ্রিদির অসাধারণ এক ডেলিভারিতে সরাসরি বোল্ড হয়ে ৪ বলে ৫ রান করে ফেরেন মুমিনুল।পরের ওভারে ফেরেন ওপেন করতে নামা লিটনও। ১৬ বলে মাত্র ৬ রান করে সাজঘরে ফেরেন তিনি। বাংলাদেশের দলের ওপেনিংয়ের সেই পুরানো দৃশ্য।

মাত্র ১২ রানের মাথায় তৃতীয় উইকেটের পতনে উইকেটে আসেন মিঠুন। চতুর্থ উইকেটে মুশফিকুর রহিমের সাথে মিলে গড়েন শতরানের জুটি গড়ে দলকে লড়াই করার ভিত্তি গড়ে দেন। বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে সর্বোচ্চ রান করেন মুশফিকুর রহিম। এক রানের জন্য সেঞ্চুরি বঞ্চিত হন তিনি। ৯৯ রান করে ফিরে যান সাজঘরে। ওয়ানডেতে এটি তার ৩০তম হাফ সেঞ্চুরি। ৬০ রান করেন মোহাম্মদ মিথুন। ওয়ানডেতে এটি তার দ্বিতীয় অর্ধশত। অন্যদের মধ্যে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ করেন ২৫ রান।

পাকিস্তানের বোলারদের মধ্যে জুনায়েদ খান নয় ওভার বল করে ১৯ রান দিয়ে চারটি উইকেট শিকার করেন। অন্যদের মরেধ্য শাহীন শাহ আফ্রিদি ২টি, হাসান আলী ২টি ও শাদব খান ১টি করে উইকেট শিকার করেন।

এ নিয়ে টানা ৪ ম্যাচে বাংলাদেশের কাছে হারল পাকিস্তান। সবশেষ ২০১৫ সালে ঘরের মাঠে ৩ ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজে পাকিস্তানকে ধবলধোলাই করে টাইগাররা। এর প্রায় আড়াই বছর পর সাক্ষাতে লাল সবুজ জার্সিধারীদের বিপক্ষে হারের বৃত্তেই থাকল পাকিস্তান।

আগামী শুক্রবার দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ফাইনালে ভারতের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

বাংলাদেশ: ৪৮.৫ ওভারে ২৩৯ (লিটন ৬, সৌম্য ০, মুমিনুল ৫, মুশফিক ৯৯, মিঠুন ৬০, ইমরুল ৯, মাহমুদউল্লাহ ২৫, মিরাজ ১২, মাশরাফি ১৩, রুবেল ১, মুস্তাফিজ ০*; জুনাইদ ৪/১৯, আফ্রিদি ২/৪৭, হাসান ২/৬০, নওয়াজ ০/৩৯, মালিক ০/১৪, শাদাব ১/৫২)।

পাকিস্তান: ৫০ ওভারে ২০২/৯ (ফখর ১, ইমাম ৮৩, বাবর ১, সরফরাজ ১০, মালিক ৩০, শাদাব ৪, আসিফ ৩১, নওয়াজ ৮, হাসান ৮, আফ্রিদি ১৪*, জুনাইদ ৩*; মিরাজ ২/২৭, মুস্তাফিজ ৪/৪৩, মাশরাফি ০/৩৩, রুবেল ১/৩৮, মাহমুদউল্লাহ ১/৩৮, সৌম্য ১/১৯)।

For Advertisement

750px X 80px Call : +8801911140321

কারেন্ট নিউজ বিডি'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। 

পাঠকের মতামত: