প্রচ্ছদ / সাজ-ফ্যাশন / বিস্তারিত

For Advertisement

750px X 80px Call : +8801911140321

ফ্যাশনে বাহারি ব্যাগ

কারেন্ট নিউজ বিডি   ৫ অক্টোবর ২০১৮, ৩:১৫:৩৭

যুগটাই এখন ফ্যাশন আর স্টাইলের। ফ্যাশনের এ দুরন্তপনায় অনেক প্রয়োজনীয় একটি অনুষঙ্গ হলো ব্যাগ। সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ব্যাগ ব্যবহারে যেমন পরিবর্তন এসেছে তেমনি ব্যাগের নকশা ও ধরনেও এসেছে বৈচিত্র্য।

বিচিত্র নকশা আর বাহারি রঙ্গে নানা আকৃতির ছোটবড়ো ব্যাগের ব্যবহার ইদানিং চোখে পড়ছে। ফ্যাশনের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোনো সূত্র কাজ করে না। যাকে যে ধরনের জিনিস মানায় এবং যা ব্যবহারে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে, সে সেই ধরনের ব্যাগই ব্যবহার করে থাকে। আর ব্যাগ বাছাইয়ের ক্ষেত্রটি কোথায় এবং কি ধরনের কাজে ব্যাগটি ব্যবহার করা হবে সেই বিষয়টিও বেশ গুরুত্বপূর্ণ।

For Advertisement

750px X 80px
Call : +8801911140321

কারণ কলেজ, কোচিং বা বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার সময় বড়ো আকারের ঝোলা ব্যাগ বা ব্যাকপ্যাক নেওয়া জরুরি হলেও কোন অনুষ্ঠানে বা দাওয়াতে গেলে বড়ো ব্যাগ একদমই বেমানান। তখন বেছে নিতে হবে ছোটো ও স্টাইলিশ ব্যাগ।

বাজারে বিভিন্ন ধরনের আর বিভিন্ন দামের ব্যাগ পাওয়া যায়। বেশি জিনিসপত্র নেওয়ার জন্য নিত্যব্যবহার্য বড়ো ব্যাগকে বলা হয় টোট ব্যাগ। এখন চামড়ার টোট ব্যাগ জনপ্রিয় স্টাইল। এসব ব্যাগ জিন্স-ফতুয়া, সালোয়ার-কামিজ এমনকি শাড়ির সঙ্গেও মানানসই। অন্যদিকে স্কুল কলেজ পড়ুয়া ছেলেমেয়েদের জন্য স্টাইলিশ ব্যাগ হচ্ছে ন্যাপস্যাক। একে ব্যাকপ্যাকও বলা হয়। তরুণ ছেলেমেয়েদের কাঁধে এগুলো বেশি দেখা যায়। ভ্রমণের জন্যেও এই ব্যাগ বেশ কাজের। এ ধরনের ব্যাগের সবচেয়ে বড়ো সুবিধা হলো শরীরের সঙ্গে আঁটসাঁট হয়ে ঝুলে থাকে। এই ব্যাগ স্টাইলের তুলনায় প্রয়োজনটাই বেশি মেটায়, দামও কম। এখন এই ধরনের ব্যাগের সঙ্গে আলাদাভাবে ল্যাপটপ রাখার জন্যও জায়গা করা থাকে। ফলে অফিসের কাজেও এই ব্যাগ বেশ উপযোগী।

বিয়ের দাওয়াত বা অন্যান্য অনুষ্ঠানে নেওয়ার জন্য নানান ধরনের ক্লাচ এবং বটুয়া সবচেয়ে জনপ্রিয়। প্রতিদিনের ব্যস্ত জীবনে এই ব্যাগগুলো ব্যবহার করা না হলেও অনুষ্ঠানের সাজে আলাদা মাত্রা যুক্ত করে সুন্দর একটি ক্লাচ। একরঙা এবং প্রিন্টেড ক্লাচের পাশাপাশি এখন কারচুপি করা, ডলার বসানো এমনকি হাতের কাজের ক্লাচ এবং বটুয়াও বেশ জনপ্রিয়।

কাঁধে ঝুলিয়ে ব্যবহার করা ব্যাগগুলো বেশি জনপ্রিয় সব বয়সী নারীদের কাছেই। ওই ব্যাগগুলো শোল্ডার ব্যাগ নামেই পরিচিত। এই ধরনের ব্যাগের মধ্যেও রয়েছে নানান ধরন।

বর্তমানে ফ্যাশন সচেতনদের মধ্যে বক্স আকারের ব্যাগ বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। চামড়া, রেক্সিন, জিন্স ইত্যাদি দিয়ে এই ব্যাগ তৈরি করা হয়। বেশ শক্ত এবং মজবুত হয়ে থাকে এই ব্যাগগুলো। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই জায়গা কম থাকে এই ব্যাগে। কিছুদিন আগেও কিছুটা ছোটো হ্যান্ডেলের ব্যাগ জনপ্রিয় থাকলেও বর্তমানে সবাই কম বেশি কিছুটা ঝোলানো হ্যান্ডেলের ব্যাগ পছন্দ করে। বেশ পুরানো এই চলটি আধুনিক যুগে এসে বেশ পাকাপোক্ত স্থান করে নিয়েছে।

এছাড়াও আমাদের দেশে পাটের তৈরি ব্যাগ পাওয়া যায়। শাড়ি, সালোয়ার-কামিজ বা ফতুয়ার সঙ্গে পাটের ছোটো বা মাঝারি আকারের ব্যাগ বেশ মানানসই। অনেক ক্ষেত্রে চামড়া এবং পাটের সমন্বয়েও দেশি ধাঁচে ব্যাগ তৈরি করা হয়ে থাকে।

আমাদের দেশে হাতের কাজের ছোঁয়া রয়েছে সব ক্ষেত্রেই। এই তালিকায় রয়েছে ব্যাগও। তাই যারা একটু বাঙালিয়ানা পছন্দ করে থাকেন, কাপড়ের তৈরি ব্যাগ তাদের কাছে বেশ জনপ্রিয়। বিভিন্ন দেশিয় ফ্যাশন হাউজগুলো এই কাপড় ও পাটের তৈরি ব্যাগে ফুটিয়ে তুলেছেন আধুনিকতা। তাছাড়া কাপড়ের ব্যাগের উপর হাতে করা সেলাইয়ের কারুকাজ বা পুতির কাজও ব্যাগে আনে ভিন্নতা।

অফিসিয়াল ব্যাগের বেলায় কিছু বিষয় অবশ্যই লক্ষ্য রাখতে হয়, যা অফিসের সাধারণ পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাবে। সচরাচর দেখা যায়, সেমিনারে বিদেশি ব্যাগের পাশাপাশি দেশে তৈরি লেদারের ব্যাগগুলো বেশ মানিয়ে যাচ্ছে। একটু ভিন্নতা আনতে কাপড়ের তৈরি ব্যাগগুলোও অফিসে ব্যবহার করতে পারবেন। যেগুলো ক্যানভাস কাপড়ের ওপর তৈরি করা হয়। তবে সবচেয়ে ভালো হয় লেদারের ব্যাগগুলো ব্যবহার করলে, যা সম্পূর্ণ দেশীয় কারখানায় তৈরি এবং অগণিত ডিজাইন, আকারের সঙ্গে কয়েকটি কালার সমৃদ্ধ করা হয়েছে। আবার লেদারের তৈরি ব্যাগগুলোর বাইরে যে ব্যাগ এ দেশে বেশি চলে তা আসে চীন থেকে এবং এগুলোর মানও ভালো। এগুলো আপনি আপনার চাহিদার সঙ্গে মানিয়ে ক্রয় করতে পারবেন।

কমবেশি ব্যাগ পাওয়া যায় সব ঢাকার সব মার্কেটেই। তবে রকমারী পছন্দের ব্যাগ বেছে নিতে যেতে পারেন- বসুন্ধরা সিটি, নিউমার্কেট, বায়তুল মোকাররম মার্কেট, শাহবাগ পিজি মার্কেট, চকবাজার, সদরঘাট ও মিরপুর-১ নম্বর। উল্লেখ্য, শাহবাগের অজিজ সুপার মার্কেটের গোডাউন প্লাজায় রয়েছে আমদানিকৃত ব্যাগের পাইকারি মার্কেট। বিভিন্ন ধরনের স্কুল ব্যাগের দাম পড়বে দেশি-বিদেশি অনুপাতে। যেমন_ দেশি ব্যাগ ২৫০-৭০০ টাকা এবং বিদেশি পড়বে ৮০০-১,৫০০ টাকা পর্যন্ত। কলেজ ব্যাগ দেশিগুলোর দাম পড়বে ২৫০-১,০০০, বিদেশি ৭০০-১,২০০ টাকা। এ ছাড়া অফিসিয়াল ব্যাগগুলোর যথাক্রমে দাম পড়বে_ দেশি ৫০০-১,০০০ টাকা এবং বিদেশি ৮০০ থেকে ৫,০০০ টাকা পর্যন্ত।

For Advertisement

750px X 80px Call : +8801911140321

কারেন্ট নিউজ বিডি'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। 

পাঠকের মতামত: