প্রচ্ছদ / রাজনীতি / বিস্তারিত

For Advertisement

750px X 80px Call : +8801911140321

জাতীয় নির্বাচনে ৩০০ আসনেই প্রার্থী দেওয়ার ঘোষনা ও ১০ দাবি ইসলামী আন্দোলনের

কারেন্ট নিউজ বিডি   ৬ অক্টোবর ২০১৮, ৫:৫৯:২০

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম বলেছেন,ইসলামী আন্দোলন একটি নিয়মতান্ত্রিক গণমুখী রাজনৈতিক দল। নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরি হলে ৩০০ আসনেই হাতপাখা প্রতীকে প্রার্থী দেবো।

শুক্রবার (৫ অক্টোবর) বিকালে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের মহাসমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

For Advertisement

750px X 80px
Call : +8801911140321

রেজাউল করীম বলেন, ‘বিএনপির নেতারা গত সমাবেশে বলেছেন, আমরা প্রয়োজনে শয়তানের সঙ্গেও জোট করতে রাজি। আপনারা শয়তানের সঙ্গে জোট করতে চান কি শয়তানি করার জন্য? আপনাদের আমরা দুইবার ক্ষমতায় এনেছিলাম ভোট দিয়ে। কিন্তু আপনারা দুর্নীতি ছাড়া দেশকে কিছুই দিতে পারেননি।’

চরমোনাই পীর বলেন, ‘বর্তমান সিইসি একজন রোবট, তাকে যা শিখিয়ে দেয়া হয় তাই করেন। এই রোবটকে মানুষ আর দেখতে চায় না। জনগণ নিরপেক্ষ নির্দলীয় ইসি চায়।’

তিনি বলেন, ‘ইভিএম হলো আওয়ামী লীগকে বিজয়ী করার মেশিন। এই ইভিএম কেনার জন্য চার হাজার কোটি টাকা খরচ করা হয়েছে। এগুলো আপনাদের বাবার, দাদার টাকা নয়, জনগণের টাকা। জনগণ তাদের টাকার হিসাব একদিন পাই পাই নেবে।’

এছাড়া আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ১০ দফা দাবি জানিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।

দাবিগুলো হলো:

১। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে জাতীয় সংসদ ভেঙে দিতে হবে।
২। সব নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের মতামত নিয়ে নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার গঠন করতে হবে।
৩। বর্তমান নির্বাচন কমিশন বাতিল করে নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন করতে হবে।
৪। তফসিল ঘোষণার পর থেকে নির্বাচিত সরকার ক্ষমতা গ্রহণের আগ পর্যন্ত সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন করতে হবে এবং নির্বাচনের দিন । সশস্ত্র বাহিনীর হাতে বিচারিক ক্ষমতা দিতে হবে।
৫। নির্বাচনে সব দলের জন্যে সমান সুযোগ তৈরি করতে হবে।

৬। রেডিও,টিভিসহ সব সরকারি-বেসরকারি গণমাধ্যমে সবাইকে সমান সুযোগ দিতে হবে এবং রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে সব ধরনের হয়রানি বন্ধ করতে হবে।

৭। দুর্নীতিবাজদের নির্বাচনে অযেগ্যে ঘোষণা করতে হবে।

৮। নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার বন্ধ রাখতে হবে।
৯। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, জাতীয় সংহতি ও কার্যকর সংসদ প্রতিষ্ঠায় জাতীয় নির্বাচনে সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতির নির্বাচন ব্যবস্থা প্রবর্তন করতে হবে।
১০। কোটা সংস্কার অন্দোলন এবং নিরাপদ সড়ক আন্দোলনে গ্রেফতার ছাত্রদের মুক্তি এবং তাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সব মামলা প্রত্যাহার করতে হবে।

১১। গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে প্রণীত বিতর্কিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করতে হবে।

ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাকীর সঞ্চালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন— দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ মাদানী, মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম, নূরুল হুদা ফয়েজী, মহাসচিব মাওলানা ইউনুছ আহমাদ, আশরাফ আলী আকন, এটিএম হেমায়েত উদ্দিন, মাহবুবুর রহমান, মাওলানা আব্দুল কাদির, মাওলানা ইমতিয়াজ আলম, শেখ ফজলে বারী মাসউদ, আশরাফুল আলম, খালিদ সাইফুল্লাহ, অ্যাডভোকেট শেখ আতিয়ার রহমান, কেএম আতিকুর রহমান, আহমদ আবদুল কাইয়ূম, মাওলানা নেছার উদ্দিন, মাওলানা লোকমান হোসাইন জাফরী ও মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাকী।

For Advertisement

750px X 80px Call : +8801911140321

কারেন্ট নিউজ বিডি'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। 

পাঠকের মতামত: