প্রচ্ছদ / রাজনীতি / বিস্তারিত

For Advertisement

750px X 80px Call : +8801911140321

‘দেশের জনগণ চায় না, বিশ্বনেতারা চাইলে কী ক্ষমতায় টিকে থাকা যায়’

কারেন্ট নিউজ বিডি   ৬ অক্টোবর ২০১৮, ৬:০৮:৫৪

প্রধানমন্ত্রী উদ্দেশে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আওয়ামী লীগ এখন দেউলিয়া হয়ে গেছে। তাদের কোনো রাজনীতি নেই। ভাবতেই অবাক লাগে আওয়ামী লীগের মতো দীর্ঘকাল রাজনৈতিক সংগ্রাম করা দল তারা আজকে সম্পূর্ণভাবে জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে শুধুমাত্র রাষ্ট্রযন্ত্রের ওপর নির্ভর করে দেশ চালাচ্ছে। আবার গর্ব করে বলেন বিশ্বনেতারা সব আমাকে চাইছে, আমাদেরকে চাইছে। যে দেশের জনগণ চায় না, বিশ্বনেতারা চাইলেই কী ক্ষমতায় টিকে থাকা যায়।

শুক্রবার (৫ অক্টোবর) রাজধানীর সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির শহীদ একেএম সিদ্দিক হলে পেশাজীবীদের এক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

For Advertisement

750px X 80px
Call : +8801911140321

মির্জা ফখরুল বলেন, আপনাদের বিএনপিকে এত ভয় কেন? জনগণকে এত ভয় কেন? কেনো একটা সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন দিতে চান না? কারণ জেনে গেছেন জনপ্রিয়তা এখন শূন্যের কোঠায় এসে গেছে।

তিনি বলেন, জনগণের আশ-আকাঙ্ক্ষা বাদ দিয়ে কোনো কিছু করা সম্ভব নয়। এখানে অবশ্যই জনগণ যা চায় সেভাবে কাজ করতে হবে। আমি বলব, অনেক হয়েছে। এনাফ ইজ এনাফ। এখন দয়া করে মাথার মধ্যে একটু শুভবুদ্ধি নিয়ে আসুন। নিয়ে এসে একটা সুষ্ঠু অবাধ নির্বাচনের ব্যবস্থা করুন। জনগণের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে দিন।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিন। তাকে মুক্তি না দিলে আপনারাও মুক্তি পাবেন না। তিনিই (খালেদা জিয়া) শেষ ভরসা যাকে মুক্ত করলে আপনারা মুক্ত থাকতে পারবেন। একথাটা আমি সিরিয়াসলি বলছি- খালেদা জিয়াই শেষ ভরসা, তিনিই গণতন্ত্রের প্রতীক। তিনিই পারবেন একটা গণতান্ত্রিক পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে। তাকে বের করে নিয়ে আসুন। অন্যথায় এই দেশে যে সংকট তৈরি হবে সেই সংকট মোকাবিলা করতে আপনারা ব্যর্থ হবেন।

তিনি বলেন, দেশে এখন কোনো আইনের শাসন নেই। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মামলায় দেখছেন কী ভয়াবহ ঘটনা ঘটেছে তার সঙ্গে। আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মামলাগুলোও একই ঘটনা ঘটছে। দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যদের বিরুদ্ধে আগে যেসব মামলা ছিল সেই মামলাগুলোতে এখন সপ্তাহে তিন দিন মামলার তারিখ দিচ্ছে। অর্থাৎ দ্রুততার সঙ্গে নির্বাচনের পূর্বে তারা সব কিছু শেষ করতে চায়।

২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা মামলার প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, সম্পূর্ণভাবে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে। আবদুস সালাম পিন্টুকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে, লুৎফুজ্জামান বাবরসহ আমাদের নেতাদেরকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে। এসব করে কী করা হয়েছে ? মামলার সুষ্ঠু তদন্তটা করা হয়নি। মূল যে বিষয়টা- অপরাধীদের খুঁজে বের করা সেটা তারা বের করেনি। তারা কিন্তু গোপনে আড়ালে থেকেই গেছে।

তিনি বলেন, জাতীয় ঐক্য সৃষ্টি করে ফ্যাসিস্ট সরকারকে সরাতে হবে। তাদেরকে না সরাতে পারলে দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব বিপন্ন হয়ে যাবে। পেশাজীবী বলুন, রাজনীতিবিদ বলুন সবাই আসুন নিজ নিজ অবস্থান থেকে আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে আন্দোলন শুরু করি।

সংগঠনটির সহসভাপতি রুহুল আমিন গাজীর সভাপতিত্বে ও সদস্যসচিব অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেনের পরিচালনায় সমাবেশে বক্তব্য দেন- বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শওকত মাহমুদ, সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদীন, সম্পাদক ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আখতার হোসেন খান, অধ্যাপক এবিএম ওবায়দুল ইসলাম, অধ্যাপক লুৎফর রহমান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শামসুল আলম।

এছাড়া আরও বক্তব্য দেন ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব এম আবদুল্লাহ, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি কাদের গনি চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম, শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোটের সভাপতি অধ্যক্ষ সেলিম ভুঁইয়া, জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক জোটের মহাসচিব রফিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক গোলাম হাফিজ কেনেডী, ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের অধ্যাপক আবদুল মান্নান মিয়া, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া, ছড়াকার আবু ছালেহ প্রমুখ।

For Advertisement

750px X 80px Call : +8801911140321

কারেন্ট নিউজ বিডি'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। 

পাঠকের মতামত: