For Advertisement

750px X 80px Call : +8801911140321

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে কলেজ পরিবর্তন করবেন যেভাবে

কারেন্ট নিউজ বিডি   ৭ অক্টোবর ২০১৮, ১২:৫১:০১

নানা কারণে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কলেজ পরিবর্তনের প্রয়োজন পড়ে। কিন্তু পরিবর্তনের নিয়ম না জেনে অনেককেই এদিক সেদিক ছোটাছোটি করতে দেখা যায়।

ছাড়পত্র/কলেজ পরিবর্তনের নিয়ম জানিয়ে ১৭ জুন, ২০১৫-তে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছিল। ওই নিয়ম এখনও কার্যকর রয়েছে। পাঠকদের জন্য তা আবার তুলে ধরা হলো।

For Advertisement

750px X 80px
Call : +8801911140321

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাড়পত্রের নিয়মাবলী

শিক্ষার্থী ২য় বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণীতে উন্নীত হলে ছাড়পত্রের মাধ্যমে অন্য জেলা শহরের কলেজে ভর্তি হতে পারবে। এ ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হবে।

যে সকল কারণে ছাড়পত্র নেওয়া যাবে

অভিভাবকের বদলি : চাকরিরত অভিভাবক অন্য জেলা শহরে বদলি হলে। উল্লেখ্য, এখানে অভিভাবক বলতে বাবা/মাকে বুঝাবে। বাবা/মা বর্তমান থাকলে আইনগতভাবে কাউকে অভিভাবকত্ব প্রদান করলে তিনি অভিভাবক হিসেবে বিবেচিত হবেন।

অভিভাবকের মৃত্যু : অভিভাবকের মৃত্যুজনিত কারণে স্থানীয় চেয়ারম্যানের প্রত্যয়নপত্র/ডেথ সার্টিফিকেটের সত্যায়িত ফটোকপি আবেদন ফরমের সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে। প্রকৃত অভিভাবকের মৃত্যুজনিত কারণে অভিভাবকত্বের দায়িত্ব যার উপর অর্পিত হয়েছে তার সম্মতিপত্র এবং তার পেশা ও কর্মস্থল সংক্রান্ত প্রামাণ্য কাগজপত্র, জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি জমা দিতে হবে।

সংশ্লিষ্ট কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম/বিষয়ের অধিভুক্তি স্থগিত : এ ক্ষেত্রে, বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ পরিদর্শন শাখা প্রদত্ত অধিভুক্তি বাতিলের পত্র সংযুক্ত করতে হবে।

মেয়ে শিক্ষার্থী বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হলে : এক্ষেত্রে নিকাহনামা ও স্বামীর কর্মস্থল/বসবাস এর ঠিকানার প্রামাণ্য কাগজ ও স্বামীর জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি জমা দিতে হবে। শিক্ষার্থীর অভিভাবকের স্থায়ী ঠিকানা নিকটবর্তী কলেজে ছাড়পত্র দেওয়া যাবে। এক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর নিজের/বাবা/মা এর জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত ফটোকপি আবেদনপত্রের সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে। আবেদন ফরমের সঙ্গে প্রবেশপত্র, রেজিস্ট্রেশন কার্ড ও ফলাফলের সত্যায়িত কপি সংযুক্ত করতে হবে।

শিক্ষার্থী প্রতিবন্ধী : এক্ষেত্রে প্রতিবন্ধী বিষয়ে সমাজকল্যাণ দফতরের সনদ জমা দিতে হবে।

স্থায়ী ঠিকানার নিকটবর্তী কলেজে যৌক্তিক কারণে : শিক্ষার্থী তার স্থায়ী ঠিকানার নিকটবর্তী কলেজে যৌক্তিক কারণে ছাড়পত্রের জন্য আবেদন করতে পারবে। যদি তার নিজের জেলার কোন কলেজে তার পঠিত বিষয়টি অধিভুক্তি না থাকে তাহলে পার্শ্ববর্তী জেলার নিকটবর্তী কলেজে ছাড়পত্রের জন্য আবেদন করতে পারবে। সে ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর নিজের/পিতা/মাতা এর জাতীয় পরিচয়পত্র ও অভিভাবকের মতামত পত্র জমা দিতে হবে। কর্তৃপক্ষ বিষয়টি বিবেচনার যোগ্য মনে করলে TC দিবেন।

পরিবর্তনে শর্ত: শিক্ষার্থী ১ম বর্ষ উত্তীর্ণ হওয়ার পর (ক) সরকারি কলেজ হতে সরকারী ও বেসরকারী কলেজে, (খ) বেসরকারী শ্রেণীতে উন্নীত হলে ছাড়পত্রের জন্য আবেদন করতে পারবে না। আবার শিক্ষার্থী একটি কলেজে ১ম বর্ষে ভর্তির আবেদন করেছিল কিন্তু রিলিজ স্লিপের মাধ্যমে অন্য কলেজে ভর্তি হয়েছে সে ক্ষেত্রে পূর্বে আবেদনকৃত কলেজে বা সমমান কলেজে ছাড়পত্রের জন্য আবেদন করতে পারবেনা।

যেভাবে আবেদন করবেন : একজন শিক্ষার্থী ফলাফল প্রকাশের দিন থেকে ৪৫ দিনের মধ্যে অনলাইনে ছাড়পত্রের জন্য প্রাথমিক আবেদন করতে পারবেন। আবেদনের সঙ্গে প্রার্থীর মোবাইল নম্বর সংযুক্ত করতে হবে। আবেদন করতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট (nu.edu.bd) এর Services মেনুতে গিয়ে Student Login এ রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। রেজিস্ট্রেশন এর পদ্ধতি জানতে এই পিডিএফ ফাইলটি ডাউনলোড করে নিন। রেজিস্ট্রেশন করা হয়ে গেলে ওই লিঙ্কে লগইন করতে হবে। লগইন করার পর বামদিকে Academic Services এ ক্লিক করলে Academic Services For Student এর তালিকা পাবেন। এই তালিকায় Transfer College (TC) তে ক্লিক করলে ছাড়পত্রের আবেদন ফরম পাবেন।

প্রার্থীর প্রাথমিক আবেদন যাচাই-বাছাই করে এক সপ্তাহের মধ্যেই SMS এর মাধ্যমে তার আবেদন বিবেচনাযোগ্য কিনা তা জানিয়ে দেওয়া হবে। আবেদন গ্রহণযোগ্য হলে প্রার্থীকে ছাড়পত্রের ফিসহ নির্ধারিত ফরমে বিশ্ববিদ্যালয়ে চূড়ান্ত আবেদনপত্র জমা দিতে হবে। চূড়ান্ত আবেদনের সঙ্গে শুধুমাত্র ছাড়পত্র প্রদানকারী কলেজের অনাপত্তিপত্র জমা দিতে হবে।

উল্লেখ্য যে, শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নের প্রতি লক্ষ রেখে ছাড়পত্র অনুমোদনের ক্ষেত্রে প্রার্থী যে কলেজে ভর্তি হতে ইচ্ছুক সে কলেজের প্রার্থীত বিষয়ের শিক্ষার্থী-শিক্ষক সংখ্যানুপাত (Optimum) সংখ্যার অনেক বেশি হলে প্রার্থীর আবেদন বিবেচনা করা হবে না।

একই জেলা/বিভাগীয় শহরে অবস্থিত দুটি কলেজের মধ্যে ছাড়পত্র ইস্যু করা যাবে না। তবে বিশেষ কারণবশত মেয়ে শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে এ শর্ত শিথিলযোগ্য। কোর্স ফাইনাল পরীক্ষার ফরম পূরণ শুরু হলে ছাড়পত্র ইস্যু করা যাবে না।

তাছাড়া স্নাতক (সম্মান ) শ্রেণীতে ৩য় ও ৪র্থ বর্ষে বিশেষ কারণ ছাড়া ছাড়পত্র প্রদান করা যাবে না।

প্রামাণ্য তথ্যের কোনো জালিয়াতির প্রমাণ পাওয়া গেলে শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিল বলে গণ্য হবে।

For Advertisement

750px X 80px Call : +8801911140321

কারেন্ট নিউজ বিডি'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। 

পাঠকের মতামত: