প্রচ্ছদ / আইন-অপরাধ / বিস্তারিত

For Advertisement

750px X 80px Call : +8801911140321

প্রাক্তন প্রেমিককে লাঞ্চিত করে ভাইরাল ১০ম শ্রেণির ছাত্রী ফাতেমা আক্তার

কারেন্ট নিউজ বিডি   ৮ অক্টোবর ২০১৮, ২:৫৬:১২

প্রাক্তন প্রেমিককে লাঞ্চিত করে এবার আলোচনায় উঠে এসেছেন মৌলভীবাজারের কন্যা ফাতেমা আক্তার। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হয়েছেন ভাইরাল। প্রাক্তন প্রেমিককে লাঞ্চিত করার ঘটনায় দি ফ্লাওয়ার্স কেজি স্কুল অ্যান্ড কলেজের ১০ম শ্রেণির ছাত্রী ফাতেমা আক্তার অ্যানি পেয়েছেন ‘সাহসী কন্যা’র খেতাব।

ফাতেমার বক্তব্য অনুযায়ী, রাস্তায় বখাটে এক ছেলে তাকে মন্দ ভাষায় উত্ত্যক্ত করে এবং তার ছবি তোলে। এরপর সে ছেলেটির হাতের মোবাইল কেড়ে নেয়। সেই সঙ্গে তাকে চড়-থাপ্পড় মারতে মারতে শার্টের কলার ধরে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যায়।

For Advertisement

750px X 80px
Call : +8801911140321

এ সময় ওই বখাটের বন্ধুর হুমকির পরিপ্রেক্ষিতে কথিত সাহসী কন্যা  অ্যানি পাল্টা জবাব দেয়, ‘তোর কোন বাপ আছে নিয়ে আয়, সে আমাকে কী করবে দেখি।’

ব্যতিক্রমী এ ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা ভাইরাল হয়ে যায়। বৃহস্পতিবার বিকেলে মৌলভীবাজার পৌর পার্কে এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, মেয়েটি মৌলভীবাজার দি ফ্লাওয়ার্স কেজি স্কুল অ্যান্ড কলেজের ১০ম শ্রেণির ছাত্রী। তার নাম ফাতেমা আক্তার অ্যানি। সে সদর উপজেলার মাতারকাপন একালার মো. আকলিম মিয়ার মেয়ে।

অ্যানির অভিযুক্ত ছেলেটির নাম এবাদুর রহমান জিসান। তার বাড়ি সদর উপজেলার বারন্তি গ্রামে। সে শাহ মোস্তফা কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্র।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ফাতেমা আক্তার অ্যানি জানায়, টেস্ট পরীক্ষা দিয়ে ফেরার পথে মায়ের সঙ্গে পৌর পার্কে বসে ফুচকা খাচ্ছিলাম। এ সময় জিসান নামের ওই ছেলেটি আমাকে নিয়ে বাজে মন্তব্য করে। সেই সঙ্গে আমার ছবিও তোলে। আমার মা এর প্রতিবাদ করলে খারাপ আচরণ করে জিসান। তাই বখাটে জিসানকে শিক্ষা দিতে চড়-থাপ্পড় মারতে মারতে শার্টের কলার ধরে টেনেহিঁচড়ে পার্কের বাইরে নিয়ে যাই।

এ সময় জিসানের সঙ্গে থাকা তার বন্ধুদের একজন ছাত্রলীগের এক কথিত নেতাকে ফোন দিয়ে ঘটনাস্থলে আসতে বলায় তার হাতের মোবাইল কেড়ে নিয়ে ভেঙে ফেলি। সেই সঙ্গে তাকে চ্যালেঞ্জ করে বলি, ‘তোর কোন বাপ আছে নিয়ে আয়, সে আমাকে কী করবে দেখি।’

নাম প্রকাশ না করার শর্তে দি ফ্লাওয়ার্স কেজি স্কুল অ্যান্ড কলেজের এক শিক্ষক বলেন, ফেসবুকে ভিডিওটি দেখে ঘটনার পরদিন আমরা অ্যানিকে স্কুলে ডেকেছিলাম। তখন অ্যানি জানায়, তাকে উত্ত্যক্ত করায় তার মা প্রতিবাদ করেছিল। মায়ের সঙ্গে খারাপ আচরণ করায় এমন ঘটনা ঘটিয়েছে অ্যানি। ঘটনার পর পুলিশ এসে ওই ছেলেকে ধরে নিয়ে যায়। পরে পুলিশ সুপার রাশেদুল ইসলামের সামনে দুই পক্ষের সমঝোতা হলে মুচলেকা দিয়ে ছেলেকে ছাড়িয়ে নেয় তার পরিবার।

তবে অভিযোগ সত্য নয় বলে দাবি করেছে অভিযুক্ত জিসান। সে জানায়, ঘটনার দিন পৌর পার্কের পাশে আমি দাঁড়িয়ে ছিলাম। হঠাৎ আমাকে ডেকে নিয়ে শার্টের কলার চেপে ধরে এবং আমার বন্ধুর মোবাইল ভেঙে ফেলে অ্যানি। সেই সঙ্গে আমাকে লাঞ্ছিত করে। অ্যানি আমার প্রেমিকা। তার সঙ্গে আমার এক বছরের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। প্রায় আট মাস আগে আমার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয় অ্যানি।

এ বিষয়ে মৌলভীবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাশেদুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে তাদেরকে আমার অফিসে ডেকে নিয়ে আসি। পরে উভয় পরিবারের সম্মতিতে বিষয়টি মীমাংসা করে দেই।

For Advertisement

750px X 80px Call : +8801911140321

কারেন্ট নিউজ বিডি'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। 

পাঠকের মতামত: