প্রচ্ছদ / রাজশাহী / বিস্তারিত

For Advertisement

750px X 80px Call : +8801911140321

সালামের বাড়ির লোকজন জানে না তার অপকর্মের খবর

কারেন্ট নিউজ বিডি   ১১ অক্টোবর ২০১৮, ১১:০৬:৩৯

২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার সমাবেশে গ্রেনেড হামলার মামলায় মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত মাওলানা শেখ আব্দুস সালাম এর বাড়ি বগুড়ার ধুনটে। ২০০৯ সালের ১ নভেম্বর থেকে আব্দুস সালাম ওই মামলায় গ্রেফতার রয়েছে। আব্দুস সালাম ধুনট উপজেলার চৌকিবাড়ী ইউনিয়নের পেঁচিবাড়ী গ্রামের মৃত মোজাহার আলী শেখের ছেলে।

রায়ে মৃত্যুদণ্ড হলেও তার গ্রামের মানুষগুলো কোন কিছুই জানে না। মাওলানা শেখ আব্দুস সালামের গ্রামের বাড়ির পৈত্রিক ভিটেমাটির ওপর তার একটি টিনের ঘর জরাজীর্ণ অবস্থাতে রয়েছে। আশপাশে বাড়ি থাকলেও সে বাড়ির দিকে বিশেষ কোন নজর বা কোন কৌতুহল নেই।

For Advertisement

750px X 80px
Call : +8801911140321

বগুড়ার ধুনট উপজেলার চৌকিবাড়ি ইউনিয়নের পেঁচিবাড়ি গ্রামবাসী জানান, আব্দুস সালাম ৪ ভাই ৩ বোনের মধ্যে আব্দুস সালামই ছোট। তিনি শৈশবের ছাত্র জীবন কাটিয়েছেন পাশের শেরপুর উপজেলায়। আব্দুস সালাম গ্রেফতারের পর শেরপুরের হামছায়াপুর গ্রামের নিজস্ব বাড়িতে স্ত্রী আলেয়া বেগম তার এক ছেলে ও তিন মেয়েকে নিয়ে বসবাস করে আসছে। আরো দুই মেয়েকে বিয়ে দেওয়ায় তারা শ্বশুর বাড়িতে থাকেন।

আব্দুস সালাম ১৯৮৪ সালে ভারতের দারুল উলুম দেওবন্দ মাদ্রাসায় পড়াশুনা করার সময় পাকিস্তান যায়। সেখান থেকে ওই বছরেই আফগানিস্তানে সোভিয়েত ইউনিয়নের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নিতে যায় মাওলানা শেখ আব্দুস সালাম। পরপর তিনবার আফগানিস্থানে রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে যান তিনি।

১৯৮৯ সালে বাংলাদেশে ফেরেন। এরপর তিনি হরকাতুল জিহাদ বাংলাদেশ শাখার প্রতিষ্ঠা করে কার্যক্রম শুরু করেন। পরে বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানে সক্রিয় বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন তিনি। বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে যাতায়াতের সময় কখনও পাকিস্তানি পাসপোর্ট, আবার কখনও বাংলাদেশি পাসপোর্ট ব্যবহার করতো মাওলানা আব্দুস সালাম।

১৯৯৭ সালে আব্দুস সালাম তার স্ত্রী সন্তানসহ বাংলাদেশি পাসপোর্টে পাকিস্তানে যায়। ২০০২ সালে আব্দুস সালাম পাকিস্তানি পাসপোর্টে গফুর পরিচয়ে ফের দেশে ফেরেন। এ সময় হরকাতুল জিহাদ নেতা মুফতি হান্নানের সঙ্গে তার যোগাযোগ হয় বলে জানা যায়।

বগুড়ার শেরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ হুমায়ুন কবির জানান, শেরপুর উপজেলার হামছায়ারপুর গ্রামের বাড়িতে আব্দুস সালামের পরিবার থাকে। এ বাড়ি ও আশপাশ এলাকা মনিটরিং করা হয়। এটি এখনো বলবৎ রয়েছে।

বগুড়ার ধুনট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খান মো: এরফান বলেন, ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট হামলার মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামী শেখ আব্দুস সালামের আত্মীয় স্বজনদের বিষয়েও খোঁজখবর দেওয়া হচ্ছে। তাছাড়া আব্দুস সালামের গ্রামের বাড়িটির দিকে পুলিশ সদস্যরা নজর রেখেছে।

আব্দুস সালামের ভাই মৃত গোলাম মোস্তফার স্ত্রী মরিয়ম বেগম জানান, তার দেবর আব্দুস সালাম মাদ্রাসায় পড়ালেখা করার সুবাদে ছোট বেলা থেকেই বাহিরে থাকতেন। তিনি দেশের বাহিরেও যুদ্ধে গিয়েছেন বলে শুনেছেন তিনি। তাই গ্রামের বাড়িতে খুব কম আসতেন। ২০০৯ সালের আগে একবার বাড়িতে এসেছে। তাই তার বিষয়ে খুব একটা জানেন না তিনি।

For Advertisement

750px X 80px Call : +8801911140321

কারেন্ট নিউজ বিডি'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। 

পাঠকের মতামত: