প্রচ্ছদ / জাতীয় / বিস্তারিত

For Advertisement

750px X 80px

Call : +8801911140321

‘যুক্তরাষ্ট্র কোনো দলকে সমর্থন দিচ্ছে না, বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন দেখতে চাই’

কারেন্ট নিউজ বিডি   ২৩ অক্টোবর ২০১৮, ৪:৪৬:২৭

বাংলাদেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন যুক্তরাষ্ট্র দেখতে চায়। ঢাকায় সফররত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক প্রধান উপ-সহকারী পররাষ্ট্র মন্ত্রী এলিস ওয়েলস রবিবার পররাষ্ট্র সচিব এম শহীদুল হকের সঙ্গে এক বৈঠকে একথা বলেছেন।

চারদিনের বাংলাদেশ সফরের তৃতীয় দিনে রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক, বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচন ও রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে কথা বলেন মার্কিন মুখ্য উপ-সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

For Advertisement

750px X 80px
Call : +8801911140321

বক্তব্যের শুরুতেই তিনি বলেন, দক্ষিণ ও দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার সন্ধিস্থলে থাকা বাংলাদেশকে যুক্তরাষ্ট্রের ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে রেখে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন।

এজন্য সম্প্রতি বাংলাদেশকে ৪ কোটি মার্কিন ডলার দেয়ার ঘোষণার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, বৈদেশিক সামরিক সহায়তা হিসেবে দেয়া এই অর্থে বাংলাদেশের উপকূলীয় রাডার ব্যবস্থার মানোন্নয়ন, টহল নৌযান বহরের আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ এবং সম্প্রসারিত সামুদ্রিক কার্যক্রম পরিচালনার প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। এগুলোর সবই আমাদের বে অব বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভের অংশ।

উপ সহকারী মন্ত্রী অ্যালিস ওয়েলস শুরুতে বলেন, বিভিন্ন কারণেই বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। সাম্প্রতিককালে বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতি অতুলনীয়। তবে ভবিষ্যত্ সফলতার জন্য গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করা জরুরি। আমরা বাংলাদেশকে বাক্ ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষার আহ্বান জানিয়ে আসছি। যুক্তরাষ্ট্র আশা করে, একটি সুষ্ঠু, বিশ্বাসযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হবে। যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশে ড. কামাল হোসেন ও তাদের নতুন জোটকে সমর্থন দিচ্ছে কিনা এমন এক প্রশ্নের জবাবে অ্যালিস ওয়েলস বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশে কোনো দল, জোট বা ব্যক্তিকে সমর্থন দিচ্ছে না। আমরা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া সমর্থন করি। একটি সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন দেখতে চাই। একটি স্থিতিশীল ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশের জন্য অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হওয়া জরুরি।

তিনি বলেন, কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনকালে মিয়ানমার থেকে প্রাণভয়ে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কথা হয়েছে। রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্র সক্রিয়ভাবে বাংলাদেশের পাশে আছে এবং থাকবে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, রোহিঙ্গারা নিজ দেশে ফিরতে চায়। তাদের মর্যাদাপূর্ণ ও নিরাপদ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতেও মিয়ানমারের সঙ্গে কাজ করছে যুক্তরাষ্ট্র। তিনি বলেন, এই সংকট সমাধানে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক পদক্ষেপ জরুরি। রাখাইনে মিয়ানমারের জাতিগত নিধনের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র সচেতন। এ ব্যাপারে আগামীতে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে পারে যুক্তরাষ্ট্র।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এই আইন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রেরও উদ্বেগ রয়েছে। গণতন্ত্র চর্চার প্রধান শর্ত হচ্ছে মত প্রকাশের অধিকার এবং স্বাধীন গণমাধ্যম নিশ্চিত করা। সদ্য প্রণীত আইনটি মত প্রকাশ এবং স্বাধীন সাংবাদিকতা বাধাগ্রস্ত করতে পারে বলে নাগরিক সমাজ উদ্বেগ জানিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্র আশা করে, সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে সরকারের সংলাপ অব্যাহত রাখবে এবং আইনটিকে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য করার ব্যাপারে উদ্যোগ আসবে।

আলোকচিত্রী শহীদুল আলমের আটকের বিষয়ে বলেন, বিশ্ব জুড়েই তিনি অত্যন্ত পরিচিত ও খ্যাতিমান ফটোগ্রাফার। যুক্তরাষ্ট্র আশা করে, শহীদুল আলমের বিষয়ে যে আইনি প্রক্রিয়া চলছে সেখানে ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা হবে।

শনিবার চারদিনের সফরে শনিবার ২০ অক্টোবর বাংলাদেশে আসেন তিনি। সফরের তৃতীয় দিন সন্ধ্যায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকাটও উপস্থিত ছিলেন।

For Advertisement

750px X 80px

Call : +8801911140321

কারেন্ট নিউজ বিডি'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। 

পাঠকের মতামত: